অলিম্পিকে বাংলাদেশের পদক এখনও বহু দূরের স্বপ্ন। এশিয়ান গেমসেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের পদক মাত্র একটি। সেই ১৯৮৬ সালে সিউল এশিয়াডে বক্সার মোশাররফের ব্রোঞ্জ। এশিয়ার গণ্ডির বাইরে কমনওয়েলথ গেমসেই কিছু পদকের আশা করে বাংলাদেশ। সেখানেও টানা দুই আসরে পদকশূন্য।
সদ্য সমাপ্ত গ্লাসগো গেমসে হতাশ করেছেন বাংলাদেশের অ্যাথলেটরা। এবারের ইভেন্টে লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ১৫ জন ক্রীড়াবিদ। সাঁতার, অ্যাথলেটিক্স, বক্সিং ও জিমন্যাস্টিক্স চার ডিসিপ্লিনে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ।
৫৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে কোয়ার্টার ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষের কাছে হেরে যান বক্সার রাকিব। সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে পারলে ব্রোঞ্জ পদক আসত। রাকিবের পারফরম্যান্সই বাংলাদেশের এই গেমসে প্রাপ্তি। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী জিনাত ফেরদৌস ও রুহিন রেজা নিজ নিজ ইভেন্টের প্রথম ম্যাচেই হেরেছেন।
দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান ইংল্যান্ডেই থাকেন। স্কটল্যান্ডের চেনা পরিবেশে ১০০ মিটারে বছরের সেরা টাইমিং করলেও হিটে বাদ পড়ে ৭৩ জনের মধ্যে ২৭তম হন। দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে যে টাইমিং করেছিলেন তার ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেননি। ৪০০ মিটার স্প্রিন্টে লুশাদ ইসলাম ৪৬ জনের মধ্যে ৩৬তম, ৪০০ মিটার হার্ডলসে নাজিমুল হোসেন ২২ জনের মধ্যে ১৮তম এবং লং জাম্পে স্বপ্না খাতুন ১১ জনের মধ্যে হন ১১তম।
সাঁতারে দীর্ঘদিন থাইল্যান্ডে ট্রেনিং করা সামিউল ইসলাম রাফি তিন ইভেন্টে নিজের সেরা টাইমিং করেছেন। অন্য সাঁতারু সোনিয়া আক্তার, কাজল মিয়া ও সুকুমার রাজবংশী শুধু অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছেন। জিমন্যাস্ট শিশির আহমেদ, রাজীব চাকমা ও আবু সাঈদ রাফিকে নিয়ে গড়া বাংলাদেশ দল ১০ দেশের মধ্যে হয়েছে অষ্টম।
কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশের পদকের ঝাণ্ডা ছিল শ্যুটারদের হাতে। ১৯৯০ সালে অকল্যান্ড গেমসে বাংলাদেশকে প্রথম পদক এনে দিয়েছিলেন দুই শ্যুটার আতিকুর রহমান ও আব্দুস সাত্তার নিনি। এরপর কমনওয়েলথ শ্যুটিংয়ে সাবরিনা, রিংকি পদক পেলেও ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ কমনওয়েলথ গেমসে পদক ছিল না।
২০০২ সালে ম্যানচেস্টার গেমসে আসিফ আবার বাংলাদেশকে পদকে ফেরান। ২০০৬ মেলবোর্ন গেমসে একটি সিলভার, ২০১০ দিল্লি গেমসে ব্রোঞ্জ, ২০১৪ গ্লাসগোতে সিলভার, ২০১৮ গোল্ডকোস্টে শ্যুটার আব্দুল্লাহ হেল বাকি ও শাকিল আহমেদ রৌপ্য জেতেন।
২০০২ সালে ম্যানচেস্টার কমনওয়েলথ গেমসে শ্যুটার আসিফ হোসেন খান ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে স্বর্ণ জেতেন। এটাই কমনওয়েলথে বাংলাদেশের সেরা সাফল্য। শ্যুটার আসিফ কমনওয়েলথে পদকখরা নিয়ে বলেন, ‘২০০২ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত কমনওয়েলথ গেমসে শ্যুটাররা ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশকে পদক এনে দিয়েছে। ২০২২ ও ২০২৬ সালে ইংল্যান্ড কমনওয়েলথের স্বাগতিক ছিল। দুই বারই শ্যুটিং ছিল না। শ্যুটিং না থাকায় বাংলাদেশের পদকপ্রাপ্তিতে প্রভাব পড়েছে। শ্যুটিংয়ের পাশাপাশি অন্য খেলাতেও পদক পাওয়া প্রয়োজন।-
কমনওয়েলথে বাংলাদেশের শুধুই যাওয়া-আসা
অলিম্পিকে বাংলাদেশের পদক এখনও বহু দূরের স্বপ্ন। এশিয়ান গেমসেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের পদক মাত্র একটি। সেই ১৯৮৬ সালে সিউল এশিয়াডে বক্সার মোশাররফের ব্রোঞ্জ। এশিয়ার গণ্ডির বাইরে কমনওয়েলথ গেমসেই কিছু পদকের আশা করে বাংলাদেশ। সেখানেও টানা দুই আসরে পদকশূন্য।
সদ্য সমাপ্ত গ্লাসগো গেমসে হতাশ করেছেন বাংলাদেশের অ্যাথলেটরা। এবারের ইভেন্টে লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ১৫ জন ক্রীড়াবিদ। সাঁতার, অ্যাথলেটিক্স, বক্সিং ও জিমন্যাস্টিক্স চার ডিসিপ্লিনে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ।
৫৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে কোয়ার্টার ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষের কাছে হেরে যান বক্সার রাকিব। সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে পারলে ব্রোঞ্জ পদক আসত। রাকিবের পারফরম্যান্সই বাংলাদেশের এই গেমসে প্রাপ্তি। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী জিনাত ফেরদৌস ও রুহিন রেজা নিজ নিজ ইভেন্টের প্রথম ম্যাচেই হেরেছেন।
দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান ইংল্যান্ডেই থাকেন। স্কটল্যান্ডের চেনা পরিবেশে ১০০ মিটারে বছরের সেরা টাইমিং করলেও হিটে বাদ পড়ে ৭৩ জনের মধ্যে ২৭তম হন। দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে যে টাইমিং করেছিলেন তার ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেননি। ৪০০ মিটার স্প্রিন্টে লুশাদ ইসলাম ৪৬ জনের মধ্যে ৩৬তম, ৪০০ মিটার হার্ডলসে নাজিমুল হোসেন ২২ জনের মধ্যে ১৮তম এবং লং জাম্পে স্বপ্না খাতুন ১১ জনের মধ্যে হন ১১তম।
সাঁতারে দীর্ঘদিন থাইল্যান্ডে ট্রেনিং করা সামিউল ইসলাম রাফি তিন ইভেন্টে নিজের সেরা টাইমিং করেছেন। অন্য সাঁতারু সোনিয়া আক্তার, কাজল মিয়া ও সুকুমার রাজবংশী শুধু অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছেন। জিমন্যাস্ট শিশির আহমেদ, রাজীব চাকমা ও আবু সাঈদ রাফিকে নিয়ে গড়া বাংলাদেশ দল ১০ দেশের মধ্যে হয়েছে অষ্টম।
কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশের পদকের ঝাণ্ডা ছিল শ্যুটারদের হাতে। ১৯৯০ সালে অকল্যান্ড গেমসে বাংলাদেশকে প্রথম পদক এনে দিয়েছিলেন দুই শ্যুটার আতিকুর রহমান ও আব্দুস সাত্তার নিনি। এরপর কমনওয়েলথ শ্যুটিংয়ে সাবরিনা, রিংকি পদক পেলেও ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ কমনওয়েলথ গেমসে পদক ছিল না।
২০০২ সালে ম্যানচেস্টার গেমসে আসিফ আবার বাংলাদেশকে পদকে ফেরান। ২০০৬ মেলবোর্ন গেমসে একটি সিলভার, ২০১০ দিল্লি গেমসে ব্রোঞ্জ, ২০১৪ গ্লাসগোতে সিলভার, ২০১৮ গোল্ডকোস্টে শ্যুটার আব্দুল্লাহ হেল বাকি ও শাকিল আহমেদ রৌপ্য জেতেন।
২০০২ সালে ম্যানচেস্টার কমনওয়েলথ গেমসে শ্যুটার আসিফ হোসেন খান ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে স্বর্ণ জেতেন। এটাই কমনওয়েলথে বাংলাদেশের সেরা সাফল্য। শ্যুটার আসিফ কমনওয়েলথে পদকখরা নিয়ে বলেন, ‘২০০২ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত কমনওয়েলথ গেমসে শ্যুটাররা ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশকে পদক এনে দিয়েছে। ২০২২ ও ২০২৬ সালে ইংল্যান্ড কমনওয়েলথের স্বাগতিক ছিল। দুই বারই শ্যুটিং ছিল না। শ্যুটিং না থাকায় বাংলাদেশের পদকপ্রাপ্তিতে প্রভাব পড়েছে। শ্যুটিংয়ের পাশাপাশি অন্য খেলাতেও পদক পাওয়া প্রয়োজন।-
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: August 7, 2026, 10:24 am