২৮ রানে ৩ উইকেটের পতন। পাকিস্তানের দুর্দান্ত শুরু। আবরার আহমেদের লেগস্পিনের সঙ্গে শাহিন আফ্রিদির চমৎকার স্পেল। ডারবানে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাকিস্তান যেমন শুরু হয়েছিল সেটাই পেয়েছে। কিন্তু প্রোটিয়াদের জার্সিতে যে একজন ডেভিড মিলার আছেন। প্রতিপক্ষ বোলারদের শাসন করাটাই যার নিত্যদিনের কাজ।
মিলার পাকিস্তানের বিপক্ষে লড়াই শুরু করেন চোখে চোখ রেখে। এক প্রান্তে দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেট পতন অব্যাহত থাকলেও মিলার ছিলেন অনবদ্য । ৪ চার ও ৮ ছক্কায় তার ৪০ বলে ৮২ রানের বিস্ফোরক ইনিংস পাকিস্তানের বিপক্ষে বেশ একটা ভালো সংগ্রহই এনে দিয়েছিলেন।
তবে ১৩৫ রানে ৬ উইকেট পতনের পরেও শঙ্কা ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস নিয়ে। এরপরে দৃশপটে জর্জ লিন্ডে। ৩ বছরেরও বেশি সময় পর দক্ষিণ আফ্রিকা দলে ফেরা এই অলরাউন্ডার উপহার দিলেন ২৪ বলে ৪৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস। তাতেই প্রোটিয়াদের রান ১৮০ পার। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ১৮৩ রানে থামে প্রোটিয়াদের ইনিংস।
পাকিস্তানের শুরুটাও ভালো হয়নি। দলে ফেরা বাবর আজম তৃতীয় ওভারে আউট হন ডাক মেরে। দারুণ ফর্মে থাকা সাইম আইয়ুবই যা একটু টি-টোয়েন্টি মেজাজে খেলেছিলেন। তবে ২০০ এর বেশি স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটা শেষ পর্যন্ত বড় হয়নি। দলের বিপদ বাড়িয়েছেন অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান নিজের খেলা প্রথম ৪০ বলে মাত্র ৩৩ রান করেন।
দ্রুত রান তোলার তাগিদে উড়িয়ে খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন আইয়ুব, উসমান খান, তৈয়ব তাহিররা। রিজওয়ান পরে আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেন। তাতে জয়ের কিছুটা সম্ভাবনা জাগে পাকিস্তানের। কিন্তু ১৮তম ওভারে ৩ উইকেট নেন লিন্ডে। এরপরেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার দিকে।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ছিল ১৯ রান। কিন্তু তরুণ মাফাকা দ্বিতীয় বলে রিজওয়ানকে শিকার করেন। ৬৪ বলে ৭২ রান করে ফেরেন পাকিস্তানের অধিনায়ক। ওই ওভারে মাফাকা দেন মাত্র ৭ রান। দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ জেতে ১১ রানে।
মিলার ঝড় আর অলরাউন্ডার লিন্ডেতে পাকিস্তানের হার
২৮ রানে ৩ উইকেটের পতন। পাকিস্তানের দুর্দান্ত শুরু। আবরার আহমেদের লেগস্পিনের সঙ্গে শাহিন আফ্রিদির চমৎকার স্পেল। ডারবানে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাকিস্তান যেমন শুরু হয়েছিল সেটাই পেয়েছে। কিন্তু প্রোটিয়াদের জার্সিতে যে একজন ডেভিড মিলার আছেন। প্রতিপক্ষ বোলারদের শাসন করাটাই যার নিত্যদিনের কাজ।
মিলার পাকিস্তানের বিপক্ষে লড়াই শুরু করেন চোখে চোখ রেখে। এক প্রান্তে দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেট পতন অব্যাহত থাকলেও মিলার ছিলেন অনবদ্য । ৪ চার ও ৮ ছক্কায় তার ৪০ বলে ৮২ রানের বিস্ফোরক ইনিংস পাকিস্তানের বিপক্ষে বেশ একটা ভালো সংগ্রহই এনে দিয়েছিলেন।
তবে ১৩৫ রানে ৬ উইকেট পতনের পরেও শঙ্কা ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস নিয়ে। এরপরে দৃশপটে জর্জ লিন্ডে। ৩ বছরেরও বেশি সময় পর দক্ষিণ আফ্রিকা দলে ফেরা এই অলরাউন্ডার উপহার দিলেন ২৪ বলে ৪৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস। তাতেই প্রোটিয়াদের রান ১৮০ পার। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ১৮৩ রানে থামে প্রোটিয়াদের ইনিংস।
পাকিস্তানের শুরুটাও ভালো হয়নি। দলে ফেরা বাবর আজম তৃতীয় ওভারে আউট হন ডাক মেরে। দারুণ ফর্মে থাকা সাইম আইয়ুবই যা একটু টি-টোয়েন্টি মেজাজে খেলেছিলেন। তবে ২০০ এর বেশি স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটা শেষ পর্যন্ত বড় হয়নি। দলের বিপদ বাড়িয়েছেন অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান নিজের খেলা প্রথম ৪০ বলে মাত্র ৩৩ রান করেন।
দ্রুত রান তোলার তাগিদে উড়িয়ে খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন আইয়ুব, উসমান খান, তৈয়ব তাহিররা। রিজওয়ান পরে আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেন। তাতে জয়ের কিছুটা সম্ভাবনা জাগে পাকিস্তানের। কিন্তু ১৮তম ওভারে ৩ উইকেট নেন লিন্ডে। এরপরেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার দিকে।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ছিল ১৯ রান। কিন্তু তরুণ মাফাকা দ্বিতীয় বলে রিজওয়ানকে শিকার করেন। ৬৪ বলে ৭২ রান করে ফেরেন পাকিস্তানের অধিনায়ক। ওই ওভারে মাফাকা দেন মাত্র ৭ রান। দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ জেতে ১১ রানে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 5:26 am