২৭ অক্টোবর তারেক-তাকাইচি বৈঠক, সই হতে পারে ৫-৬ সমঝোতা স্মারক

  বিশেষ প্রতিনিধি    20-10-2026    11
২৭ অক্টোবর তারেক-তাকাইচি বৈঠক, সই হতে পারে ৫-৬ সমঝোতা স্মারক

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে দ্বিপক্ষীয় সফরে ২৬ অক্টোবর টোকিও যাচ্ছেন প্রধানন্ত্রী তারেক রহমান। ২৭ অক্টোবর টোকিওতে দুই শীর্ষ নেতা দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। এ সফরে দুই দেশের মধ্যে ৫ থেকে ৬টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হতে পারে। তবে কোনো চুক্তি সই হওয়ার সম্ভবনা নেই।

উন্নয়ন সহায়তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফর একটি বিস্তৃত ভূ-রাজনৈতিক মাত্রা যুক্ত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে দুই দেশের সম্পর্কের ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ এখনই অন্য কোনো পর্যায়ে উন্নীত হচ্ছে না। কিন্তু এ সফরে সম্পর্কের মাত্রা বোঝাতে নতুন কিছু শব্দ যুক্ত করার বিষয়ে সম্মত আছে ঢাকা-টোকিও।

ঢাকা ও টোকিওর কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, সরকারপ্রধানের সফরে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় জাপানের কাছে ২০০ কোটি ডলারের সহায়তা চাইতে পারে বাংলাদেশ। পাশাপাশি বাংলাদেশে জাপানি অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়নের খরচ কমানোর বিষয়টি গুরত্ব দিবে ঢাকা। এছাড়া বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, মানবসম্পদের মতো বিষয়ে গুরুত্ব দিতে পারে ঢাকা।

অন্যদিকে, টোকিও ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’-এর আওতায় এ সরকারের সঙ্গেও সব ধরনের সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার বার্তা দিতে পারে। পাশাপাপশি জাপান হালনাগাদ অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক (এফওআইপি) বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশকে তাদের পাশে চাইবে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার গঠনের পর জুনে মালয়েশিয়া হয়ে ও চীন সফর করেছেন তারেক রহমান। সরকারপ্রধানের বেইজিং সফরের পর টোকিও সফরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর টোকিও সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফরে বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্প ও জনশক্তি রপ্তানির অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রাধান্য পেতে পারে।

সরকারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মেট্রোরেল উন্নয়ন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী সমন্বিত উন্নয়ন উদ্যোগসহ বেশ কিছু মেগা প্রকল্প জাপানি সহায়তায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। তবে জাপানি ঋণের সুদের হার নিয়ে চিন্তিত সরকার। কেননা, সুদের হার ক্রমেই বাড়াচ্ছে জাপান। আর বাংলাদেশ সরকার চাইছে, সুদের হার কমাতে। কেননা, সুদের হার বেড়ে গেলে প্রকল্প ব্যয় বেড়ে যাবে।

জাতীয়-এর আরও খবর

আরও পড়ুন