মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। রাজধানীর মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়সহ বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, সন্তানদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিয়ে বাইরে অপেক্ষায় রয়েছেন শত শত অভিভাবক। প্রচণ্ড গরম ও যানজটের বিড়ম্বনা উপেক্ষা করে সন্তানদের মঙ্গল কামনায় তাঁদের এই অপেক্ষা।
অভিভাবকদের উদ্বেগ ও প্রত্যাশা
মতিঝিল কেন্দ্রে উপস্থিত অনেক অভিভাবক যানজটের কারণে নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে গিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন। অনেক অভিভাবক বর্তমান পরীক্ষার সময়সূচি এবং যানজট পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁদের প্রত্যাশা, ২০২৭ সাল থেকে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর পরিবর্তন আনা হোক, যাতে শিক্ষার্থীদের বাড়তি ভোগান্তি পোহাতে না হয়।
১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থীর পরীক্ষা
এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ১৮ হাজার, মাদ্রাসা বোর্ডে ৩ লাখ এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৩৪ হাজার জন। সারা দেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৭৯ হাজার ২৩৫ জন।
বর্তমান সরকারের অধীনে এটিই প্রথম পাবলিক পরীক্ষা। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, “আমরা শিক্ষার্থীদের মন থেকে ‘পরীক্ষাভীতি’ দূর করতে চাই। শিক্ষার্থীরা যাতে হাসিমুখে কেন্দ্রে আসে এবং নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পারে, সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”
ডিসেম্বরে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, পরীক্ষা সূচির দীর্ঘদিনের যে জট তৈরি হয়েছে তা কাটাতে আগামী ২০২৭ সাল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।
মন্ত্রী বলেন, “জানুয়ারি মাসে শিক্ষাবর্ষ শুরু হয় এবং ডিসেম্বরে পাঠ্যসূচি শেষ হয়। আমরা চাই কোর্স শেষ হওয়ার পরপরই পরীক্ষা সম্পন্ন করতে। এতে শিক্ষার্থীদের একটি বছর নষ্ট হবে না। করোনার প্রভাবে পরীক্ষার যে সূচি পিছিয়ে গিয়েছিল, আমরা সেই ধারায় ফিরে আসতে চাই।”
বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে যে বিরূপ প্রভাব ফেলছে, তা দূর করতেই এই নতুন সময়সূচী বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।
আজ থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু: অভিভাবকদের উদ্বেগ ও শিক্ষামন্ত্রীর নতুন পরিকল্পনার ঘোষণা
মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। রাজধানীর মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়সহ বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, সন্তানদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিয়ে বাইরে অপেক্ষায় রয়েছেন শত শত অভিভাবক। প্রচণ্ড গরম ও যানজটের বিড়ম্বনা উপেক্ষা করে সন্তানদের মঙ্গল কামনায় তাঁদের এই অপেক্ষা।
অভিভাবকদের উদ্বেগ ও প্রত্যাশা
মতিঝিল কেন্দ্রে উপস্থিত অনেক অভিভাবক যানজটের কারণে নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে গিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন। অনেক অভিভাবক বর্তমান পরীক্ষার সময়সূচি এবং যানজট পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁদের প্রত্যাশা, ২০২৭ সাল থেকে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর পরিবর্তন আনা হোক, যাতে শিক্ষার্থীদের বাড়তি ভোগান্তি পোহাতে না হয়।
১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থীর পরীক্ষা
এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ১৮ হাজার, মাদ্রাসা বোর্ডে ৩ লাখ এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৩৪ হাজার জন। সারা দেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৭৯ হাজার ২৩৫ জন।
বর্তমান সরকারের অধীনে এটিই প্রথম পাবলিক পরীক্ষা। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, “আমরা শিক্ষার্থীদের মন থেকে ‘পরীক্ষাভীতি’ দূর করতে চাই। শিক্ষার্থীরা যাতে হাসিমুখে কেন্দ্রে আসে এবং নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পারে, সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”
ডিসেম্বরে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, পরীক্ষা সূচির দীর্ঘদিনের যে জট তৈরি হয়েছে তা কাটাতে আগামী ২০২৭ সাল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।
মন্ত্রী বলেন, “জানুয়ারি মাসে শিক্ষাবর্ষ শুরু হয় এবং ডিসেম্বরে পাঠ্যসূচি শেষ হয়। আমরা চাই কোর্স শেষ হওয়ার পরপরই পরীক্ষা সম্পন্ন করতে। এতে শিক্ষার্থীদের একটি বছর নষ্ট হবে না। করোনার প্রভাবে পরীক্ষার যে সূচি পিছিয়ে গিয়েছিল, আমরা সেই ধারায় ফিরে আসতে চাই।”
বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে যে বিরূপ প্রভাব ফেলছে, তা দূর করতেই এই নতুন সময়সূচী বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 4:41 am