প্রতিদিনই বাড়ছে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা। চলতি বছরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, একই সময়ে নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৪ জন। বর্তমানে রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩২ জনে। চলমান এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত মোট ৪৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে।
রামেক হাসপাতালের দেওয়া গেল এক সপ্তার তথ্য দেখা গেছে- বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) হামের উপসর্গ চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এরআগের দিন বুধবার (৮ এপ্রিল) তিন শিশু, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক শিশু, সোমবার (৬ এপ্রিল) দুই শিশু, রোববার (৫ এপ্রিল) দুই শিশু, শনিবার (৪ এপ্রিল) তিন শিশু, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামের উপসর্গে।
চিকিৎসকদের মতে, আক্রান্তদের বড় একটি অংশই শিশু, যারা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। জ্বর, ফুসকুড়ি, কাশি ও চোখ লাল হওয়া- এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে আসা জরুরি। দেরি হলে জটিলতা বাড়তে পারে এবং মৃত্যুঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার, আক্রান্তদের পৃথক রাখা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তাদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
হামের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেলে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা বেড়ে ৫০
প্রতিদিনই বাড়ছে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা। চলতি বছরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, একই সময়ে নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৪ জন। বর্তমানে রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩২ জনে। চলমান এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত মোট ৪৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে।
রামেক হাসপাতালের দেওয়া গেল এক সপ্তার তথ্য দেখা গেছে- বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) হামের উপসর্গ চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এরআগের দিন বুধবার (৮ এপ্রিল) তিন শিশু, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক শিশু, সোমবার (৬ এপ্রিল) দুই শিশু, রোববার (৫ এপ্রিল) দুই শিশু, শনিবার (৪ এপ্রিল) তিন শিশু, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামের উপসর্গে।
চিকিৎসকদের মতে, আক্রান্তদের বড় একটি অংশই শিশু, যারা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। জ্বর, ফুসকুড়ি, কাশি ও চোখ লাল হওয়া- এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে আসা জরুরি। দেরি হলে জটিলতা বাড়তে পারে এবং মৃত্যুঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার, আক্রান্তদের পৃথক রাখা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তাদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 5:22 am