ভোটের লড়াইয়ে পেশিশক্তি আর টাকার খেলার চিরচেনা সংস্কৃতি ভাঙতে ‘শাপলাকলি’ প্রতীকে এবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শুধু অভ্যুত্থানের সামনের সারির যোদ্ধারাই নন বরং বড় দলগুলোর বঞ্চিত অথচ জনসম্পৃক্ত নেতাদের ভিড়িয়ে একটি ‘বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি’ গঠনের পথে হাঁটছে তারা।
নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি ও আর্থিক নীতিমালা অক্ষরে অক্ষরে পালনের ঘোষণা দিয়ে দলটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অন্যায় বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলে নিজ দলের প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করতেও দ্বিধা করবে না।
এনসিপি সূত্রে জানা যায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের প্রার্থী ঘোষণা করতে যাচ্ছে দলটি। প্রথম ধাপে ১২৫ জনের মনোনয়ন নিশ্চিত করার পর দ্বিতীয় ধাপে বড় চমক দিতে যাচ্ছে জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী এই রাজনৈতিক শক্তি।
একাধিক কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপি ও জামায়াতের ‘সংস্কারপন্থী’ বিদ্রোহী প্রার্থীদের জন্য নিজেদের দুয়ার খুলে দিয়েছে এনসিপি। প্রাথমিক তালিকায় জুলাই অভ্যুত্থানের সামনের সারির নেতাদের রাখা হলেও পরবর্তী ধাপে দলের বাইরে থেকেও প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে, নতুন গঠিত ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’কে শক্তিশালী করতে নিজ দলের নিশ্চিত আসনগুলোতেও ছাড় দেওয়া হতে পারে।
বিএনপি-জামায়াতের বিদ্রোহী ও সংস্কারপন্থীদের মনোনয়ন দেবে এনসিপি
আসন্ন নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থিতা দেওয়ার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে এক হাজার ৪৮৪টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে এনসিপি। প্রতিটি আসনে গড়ে প্রায় পাঁচজন করে প্রার্থী রয়েছেন। ইতোমধ্যে একটি রাজনৈতিক জোটও গঠন করেছে দলটি।
সবমিলিয়ে আরও দুই ধাপে দলটির মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। তবে প্রথম তালিকায় থাকা যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা বিতর্কিত ভূমিকার অভিযোগ পাওয়া যাবে, তাদের বাদ দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের ভাবমূর্তি রক্ষা ও ভোটারদের আস্থা অর্জন এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে জনপ্রিয়তা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তাকে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এনসিপি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন প্রচারণার যে ১০ টাকার সীমা নির্ধারণ করেছে, এনসিপি তা কঠোরভাবে মেনে চলবে। পেশিশক্তি ও টাকার খেলার যে রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, সেখান থেকে বেরিয়ে আসা আমাদের লক্ষ্য। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত আর্থিক নীতিমালা ও অপরাধসংক্রান্ত বিধান আমরা কোনোভাবেই লঙ্ঘন করব না।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, মাঠে প্রতিটি নিয়ম ও আচরণবিধি মেনে কাজ করতে হবে। কোনো ধরনের অপব্যবহার, অনিয়ম বা শৃঙ্খলা ভঙ্গের সঙ্গে জড়ালে দল তা বরদাশত করবে না। বিশেষ করে রাষ্ট্র সংস্কারের যে নীতিগত অবস্থান ও অঙ্গীকার আমরা নিয়েছি, যারা তা মান্য করবেন না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্পষ্ট করে জানান, যদি কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘন, অর্থের অপব্যবহার বা শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে দল ওই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করতে বাধ্য হবে। শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতার প্রশ্নে এনসিপি কোনো আপস করবে না।
দ্বিতীয় তালিকায় থাকছে চমক, যুক্ত হচ্ছেন অন্য দলের হেভিওয়েটরা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক এএসএম সুজা উদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, সাধারণত মনোনয়নের প্রথম ধাপে দলের নিজস্ব তালিকাভুক্ত প্রার্থীরা সুযোগ পেয়েছেন। তবে দ্বিতীয় ধাপে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আমাদের সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন; তারা এই ধাপে মনোনয়ন পাবেন।
তিনি বলেন, প্রথম ধাপের পর থেকে একটি বিস্তৃত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চলছে। এতে প্রবাসী বাংলাদেশি, গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত পরিবার ও আন্দোলনের নেতৃত্বের পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারিতে থাকা ব্যক্তিরা বিবেচনায় রয়েছেন। একই সঙ্গে এমন কিছু প্রজ্ঞাবান ও সমাজে গ্রহণযোগ্য মানুষ রয়েছেন, যারা আগে সরাসরি দলীয় রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন না, তবে এখন সৎ ও দায়িত্বশীলভাবে রাজনীতি করতে চান।
এএসএম সুজা উদ্দিন আরও বলেন, সমাজে যারা যোগ্য, সৎ এবং বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে পরিচিত, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ হবে বলে আমরা আশা করছি। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি সপ্তাহের মধ্যে বাকি মনোনয়ন তালিকা ঘোষণা করা হতে পারে।
হাদি ইস্যুতে পিছিয়েছে আসিফ-মাহফুজের এনসিপিতে যোগদান
সদ্য পদত্যাগ করা দুই ছাত্র উপদেষ্টা দলীয় মনোনয়নে নির্বাচন করবেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে এনসিপির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন যুগ্ম আহ্বায়ক বলেন, তারা আমাদের দলে যুক্ত হচ্ছেন। তবে হাদি ভাইয়ের ইস্যুটির কারণে বিষয়টি কিছুটা পিছিয়ে গেছে। আশা করছি, আগামী সপ্তাহের মধ্যে তারা দলে যোগ দেবেন। আর দলে যোগ দিলে তারা দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
তিনি আরও জানান, আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে দ্বিতীয় ধাপের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হতে পারে। তবে সেই তালিকায় তাদের নাম না থাকার সম্ভাবনা বেশি।
বিএনপি-জামায়াতের বিদ্রোহীদের নিয়ে এনসিপির ‘নতুন সমীকরণ’
ভোটের লড়াইয়ে পেশিশক্তি আর টাকার খেলার চিরচেনা সংস্কৃতি ভাঙতে ‘শাপলাকলি’ প্রতীকে এবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শুধু অভ্যুত্থানের সামনের সারির যোদ্ধারাই নন বরং বড় দলগুলোর বঞ্চিত অথচ জনসম্পৃক্ত নেতাদের ভিড়িয়ে একটি ‘বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি’ গঠনের পথে হাঁটছে তারা।
নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি ও আর্থিক নীতিমালা অক্ষরে অক্ষরে পালনের ঘোষণা দিয়ে দলটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অন্যায় বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলে নিজ দলের প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করতেও দ্বিধা করবে না।
এনসিপি সূত্রে জানা যায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের প্রার্থী ঘোষণা করতে যাচ্ছে দলটি। প্রথম ধাপে ১২৫ জনের মনোনয়ন নিশ্চিত করার পর দ্বিতীয় ধাপে বড় চমক দিতে যাচ্ছে জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী এই রাজনৈতিক শক্তি।
একাধিক কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপি ও জামায়াতের ‘সংস্কারপন্থী’ বিদ্রোহী প্রার্থীদের জন্য নিজেদের দুয়ার খুলে দিয়েছে এনসিপি। প্রাথমিক তালিকায় জুলাই অভ্যুত্থানের সামনের সারির নেতাদের রাখা হলেও পরবর্তী ধাপে দলের বাইরে থেকেও প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে, নতুন গঠিত ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’কে শক্তিশালী করতে নিজ দলের নিশ্চিত আসনগুলোতেও ছাড় দেওয়া হতে পারে।
বিএনপি-জামায়াতের বিদ্রোহী ও সংস্কারপন্থীদের মনোনয়ন দেবে এনসিপি
আসন্ন নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থিতা দেওয়ার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে এক হাজার ৪৮৪টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে এনসিপি। প্রতিটি আসনে গড়ে প্রায় পাঁচজন করে প্রার্থী রয়েছেন। ইতোমধ্যে একটি রাজনৈতিক জোটও গঠন করেছে দলটি।
সবমিলিয়ে আরও দুই ধাপে দলটির মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। তবে প্রথম তালিকায় থাকা যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা বিতর্কিত ভূমিকার অভিযোগ পাওয়া যাবে, তাদের বাদ দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের ভাবমূর্তি রক্ষা ও ভোটারদের আস্থা অর্জন এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে জনপ্রিয়তা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তাকে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এনসিপি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন প্রচারণার যে ১০ টাকার সীমা নির্ধারণ করেছে, এনসিপি তা কঠোরভাবে মেনে চলবে। পেশিশক্তি ও টাকার খেলার যে রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, সেখান থেকে বেরিয়ে আসা আমাদের লক্ষ্য। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত আর্থিক নীতিমালা ও অপরাধসংক্রান্ত বিধান আমরা কোনোভাবেই লঙ্ঘন করব না।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, মাঠে প্রতিটি নিয়ম ও আচরণবিধি মেনে কাজ করতে হবে। কোনো ধরনের অপব্যবহার, অনিয়ম বা শৃঙ্খলা ভঙ্গের সঙ্গে জড়ালে দল তা বরদাশত করবে না। বিশেষ করে রাষ্ট্র সংস্কারের যে নীতিগত অবস্থান ও অঙ্গীকার আমরা নিয়েছি, যারা তা মান্য করবেন না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্পষ্ট করে জানান, যদি কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘন, অর্থের অপব্যবহার বা শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে দল ওই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করতে বাধ্য হবে। শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতার প্রশ্নে এনসিপি কোনো আপস করবে না।
দ্বিতীয় তালিকায় থাকছে চমক, যুক্ত হচ্ছেন অন্য দলের হেভিওয়েটরা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক এএসএম সুজা উদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, সাধারণত মনোনয়নের প্রথম ধাপে দলের নিজস্ব তালিকাভুক্ত প্রার্থীরা সুযোগ পেয়েছেন। তবে দ্বিতীয় ধাপে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আমাদের সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন; তারা এই ধাপে মনোনয়ন পাবেন।
তিনি বলেন, প্রথম ধাপের পর থেকে একটি বিস্তৃত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চলছে। এতে প্রবাসী বাংলাদেশি, গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত পরিবার ও আন্দোলনের নেতৃত্বের পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারিতে থাকা ব্যক্তিরা বিবেচনায় রয়েছেন। একই সঙ্গে এমন কিছু প্রজ্ঞাবান ও সমাজে গ্রহণযোগ্য মানুষ রয়েছেন, যারা আগে সরাসরি দলীয় রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন না, তবে এখন সৎ ও দায়িত্বশীলভাবে রাজনীতি করতে চান।
এএসএম সুজা উদ্দিন আরও বলেন, সমাজে যারা যোগ্য, সৎ এবং বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে পরিচিত, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ হবে বলে আমরা আশা করছি। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি সপ্তাহের মধ্যে বাকি মনোনয়ন তালিকা ঘোষণা করা হতে পারে।
হাদি ইস্যুতে পিছিয়েছে আসিফ-মাহফুজের এনসিপিতে যোগদান
সদ্য পদত্যাগ করা দুই ছাত্র উপদেষ্টা দলীয় মনোনয়নে নির্বাচন করবেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে এনসিপির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন যুগ্ম আহ্বায়ক বলেন, তারা আমাদের দলে যুক্ত হচ্ছেন। তবে হাদি ভাইয়ের ইস্যুটির কারণে বিষয়টি কিছুটা পিছিয়ে গেছে। আশা করছি, আগামী সপ্তাহের মধ্যে তারা দলে যোগ দেবেন। আর দলে যোগ দিলে তারা দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
তিনি আরও জানান, আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে দ্বিতীয় ধাপের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হতে পারে। তবে সেই তালিকায় তাদের নাম না থাকার সম্ভাবনা বেশি।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:31 am