রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর রহমানের বাসায় হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে তার ছেলে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাওসিফ রহমানকে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন বিচারকের স্ত্রীও।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর ডাবতলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকেই লিমন মিয়া (২৮) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আটক লিমন মিয়ার বাড়ি গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার মদনেরপাড়া এলাকার ভবানীপুর গ্রামে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তিনি শহীদ জিয়া সাইবার ফোর্সের গাইবান্ধা জেলা কমিটির সদস্য। তার বাবা এইচএম সোলায়মান শহিদ ফুলছড়ি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। লিমন আগে সেনাবাহিনীতে সিপাহী পদে চাকরি করতেন। প্রায় চার বছর চাকরির পর ২০১৮ সালে তিনি চাকরিচ্যুত হন। পরে এলাকায় ব্যবসা শুরু করেন। সম্প্রতি চোখের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় গিয়েছিলেন।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে লিমন হঠাৎ বিচারকের বাসায় ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করেন। এতে বিচারকের স্ত্রী ও ছেলে গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে ছেলে তাওসিফের মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কেন এই হামলা, কী কারণে লিমন বিচারকের বাসায় ঢুকেছিলেন—তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
রাজশাহীতে বিচারকের ছেলেকে হত্যা : ঘাতক যুবকের বাড়ি গাইবান্ধায়
রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর রহমানের বাসায় হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে তার ছেলে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাওসিফ রহমানকে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন বিচারকের স্ত্রীও।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর ডাবতলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকেই লিমন মিয়া (২৮) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আটক লিমন মিয়ার বাড়ি গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার মদনেরপাড়া এলাকার ভবানীপুর গ্রামে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তিনি শহীদ জিয়া সাইবার ফোর্সের গাইবান্ধা জেলা কমিটির সদস্য। তার বাবা এইচএম সোলায়মান শহিদ ফুলছড়ি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। লিমন আগে সেনাবাহিনীতে সিপাহী পদে চাকরি করতেন। প্রায় চার বছর চাকরির পর ২০১৮ সালে তিনি চাকরিচ্যুত হন। পরে এলাকায় ব্যবসা শুরু করেন। সম্প্রতি চোখের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় গিয়েছিলেন।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে লিমন হঠাৎ বিচারকের বাসায় ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করেন। এতে বিচারকের স্ত্রী ও ছেলে গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে ছেলে তাওসিফের মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কেন এই হামলা, কী কারণে লিমন বিচারকের বাসায় ঢুকেছিলেন—তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 4:40 am