সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া চার্জশিটভুক্ত আসামি কালুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩ জুন) পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সহযোগিতায় রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
পিবিআইয়ের সহকারী পুলিশ সুপার নাঈমা সুলতানা গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নগরীর বিশ্ব কলোনি এলাকা থেকে কালুকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে ছদ্মবেশে ছিলেন তিনি। কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া আরেক আসামি মুসার সঙ্গে ছিলেন তিনি। মোটরসাইকেল থেকে মিতুকে লক্ষ্য করে গুলি করেছিল সে।
আট বছর আগে ২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ঘটনার পরদিন জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা দাবি করে বাবুল আক্তার নিজেই বাদী হয়ে নগরীর পাচলাইশ থানায় মামলা করেন।
তদন্ত শেষে পিবিআই ২০২১ সালের ১২ মে এ মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। একই দিন বাবুলের শ্বশুর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় বাবুলসহ আটজনকে আসামি করা হয়।
সেই মামলায় গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর বাবুল আক্তারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পিবিআই। সাতজন আসামির মধ্যে দুজন পলাতক, একজন জামিনে আর চারজন কারাগারে।
গত ২ মে চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জসিম উদ্দিনের আদালতে মিতু হত্যা মামলায় অসমাপ্ত সাক্ষ্য দিয়েছেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। গত ৯ এপ্রিল প্রথম সাক্ষী হিসেবে মোশাররফ হোসেনের সাক্ষ্যের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচার কার্যক্রম শুরু হয়
মিতু হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি কালু গ্রেফতার
সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া চার্জশিটভুক্ত আসামি কালুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩ জুন) পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সহযোগিতায় রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
পিবিআইয়ের সহকারী পুলিশ সুপার নাঈমা সুলতানা গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নগরীর বিশ্ব কলোনি এলাকা থেকে কালুকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে ছদ্মবেশে ছিলেন তিনি। কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া আরেক আসামি মুসার সঙ্গে ছিলেন তিনি। মোটরসাইকেল থেকে মিতুকে লক্ষ্য করে গুলি করেছিল সে।
আট বছর আগে ২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ঘটনার পরদিন জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা দাবি করে বাবুল আক্তার নিজেই বাদী হয়ে নগরীর পাচলাইশ থানায় মামলা করেন।
তদন্ত শেষে পিবিআই ২০২১ সালের ১২ মে এ মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। একই দিন বাবুলের শ্বশুর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় বাবুলসহ আটজনকে আসামি করা হয়।
সেই মামলায় গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর বাবুল আক্তারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পিবিআই। সাতজন আসামির মধ্যে দুজন পলাতক, একজন জামিনে আর চারজন কারাগারে।
গত ২ মে চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জসিম উদ্দিনের আদালতে মিতু হত্যা মামলায় অসমাপ্ত সাক্ষ্য দিয়েছেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। গত ৯ এপ্রিল প্রথম সাক্ষী হিসেবে মোশাররফ হোসেনের সাক্ষ্যের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচার কার্যক্রম শুরু হয়
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: September 11, 2026, 5:44 pm