ব্যবসার কোনো অনুমোদন নেই। তবুও গুদামে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ২৮৮ বস্তা সার। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সেই সার উদ্ধার করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় গুদামের মালিক জামিরুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আমলসার ইউনিয়নের টিকারবিলা বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমাউল হুসনা পিংকি।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টিকারবিলা বাজারে জামিরুল ইসলামের মালিকানাধীন একটি গুদামে অভিযান চালানো হয়। এ সময় গুদামে লুকিয়ে রাখা ২৮৮ বস্তা সার পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১৩৯ বস্তা ডিএপি ও ১৪৯ বস্তা টিএসপি সার রয়েছে। জামিরুল ইসলাম সার ব্যবসায়ী হিসেবে অনুমোদিত নন। এরপরও তিনি বিপুল পরিমাণ সার অবৈধভাবে মজুত করে রেখেছিলেন। অভিযানের সময় বিষয়টি ধরা পড়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে তিনি অপরাধ স্বীকার করেন। পরে তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানের সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, শ্রীপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া, উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিনা ইয়াসমিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টিকারবিলা বাজারে অভিযান চালিয়ে একটি গুদাম থেকে ২৮৮ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে। অধিক মুনাফার আশায় কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশে এসব সার অবৈধভাবে মজুত করে রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার অবৈধভাবে মজুত, কালোবাজারি কিংবা কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো চেষ্টা বরদাশত করা হবে না। এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমাউল হুসনা পিংকি বলেন, অবৈধভাবে সার মজুতকারী অপরাধ স্বীকার করেছেন। তবে এত পরিমাণ সার তিনি কোথা থেকে এবং কীভাবে সংগ্রহ করেছেন, এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না—এসব বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে।
ব্যবসার অনুমোদন নেই, তবুও গুদামে মিলল ২৮৮ বস্তা সার
ব্যবসার কোনো অনুমোদন নেই। তবুও গুদামে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ২৮৮ বস্তা সার। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সেই সার উদ্ধার করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় গুদামের মালিক জামিরুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আমলসার ইউনিয়নের টিকারবিলা বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমাউল হুসনা পিংকি।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টিকারবিলা বাজারে জামিরুল ইসলামের মালিকানাধীন একটি গুদামে অভিযান চালানো হয়। এ সময় গুদামে লুকিয়ে রাখা ২৮৮ বস্তা সার পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১৩৯ বস্তা ডিএপি ও ১৪৯ বস্তা টিএসপি সার রয়েছে। জামিরুল ইসলাম সার ব্যবসায়ী হিসেবে অনুমোদিত নন। এরপরও তিনি বিপুল পরিমাণ সার অবৈধভাবে মজুত করে রেখেছিলেন। অভিযানের সময় বিষয়টি ধরা পড়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে তিনি অপরাধ স্বীকার করেন। পরে তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানের সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, শ্রীপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া, উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিনা ইয়াসমিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টিকারবিলা বাজারে অভিযান চালিয়ে একটি গুদাম থেকে ২৮৮ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে। অধিক মুনাফার আশায় কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশে এসব সার অবৈধভাবে মজুত করে রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার অবৈধভাবে মজুত, কালোবাজারি কিংবা কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো চেষ্টা বরদাশত করা হবে না। এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমাউল হুসনা পিংকি বলেন, অবৈধভাবে সার মজুতকারী অপরাধ স্বীকার করেছেন। তবে এত পরিমাণ সার তিনি কোথা থেকে এবং কীভাবে সংগ্রহ করেছেন, এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না—এসব বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: September 11, 2026, 3:28 pm