ফেনী রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, মহানগর এক্সপ্রেসে ফেনী স্টেশন থেকে যাত্রার জন্য মোট ৬২টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামগামী যাত্রীদের জন্য ১৫টি এবং কক্সবাজারগামী যাত্রীদের জন্য ৪৭টি আসন। কক্সবাজারগামী আসনের মধ্যে ১৫টি এসি (স্নিগ্ধা), ৩০টি নন-এসি (শোভন চেয়ার) ও দুটি কেবিনের আসন।
যাত্রীদের অভিযোগ, অনলাইনে প্রথম দিনের যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরুর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আসন শেষ হয়ে যায়। ফলে ফেনী থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ তৈরি হলেও সাধারণ যাত্রীরা টিকিট পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। অনলাইন টিকিট বিক্রিতে বৈষম্য ও টিকিট কালোবাজারির অভিযোগও তুলছেন তারা।
ফেনী জংশনের নিয়মিত যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা-কক্সবাজার রুটে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস চালুর পর থেকেই ফেনীর মানুষের দাবি ছিল, ট্রেন দুটির যাত্রাবিরতি দেওয়া হোক। মহানগর এক্সপ্রেসের রুট সম্প্রসারণের ফলে সেই দাবি পূরণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে টিকিট না পাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ স্থানীয় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
অনিক বণিক নামে এক যাত্রী বলেন, ফেনী স্টেশনের জন্য আন্তনগর ট্রেনের আসন বরাদ্দ এমনিতেই কম। তার ওপর অনলাইন টিকিটিং পার্টনার ‘সহজ ডটকম’-এর সার্ভারে টিকিট ছাড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আসন উধাও হয়ে যায়। এতে ফেনীর সাধারণ মানুষের পক্ষে অনলাইনে টিকিট কেটে কক্সবাজার যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। টিকিট নিয়ে সিন্ডিকেট ও কালোবাজারি বন্ধ করতে না পারলে এ সংকটের সমাধান সম্ভব নয়।
ফেনী শহরের বাসিন্দা মো. রাকিব হাসান বলেন, কক্সবাজার যাওয়ার জন্য মহানগর এক্সপ্রেসের টিকিটের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। টিকিট কাটতে গিয়ে দেখেন, ফেনী স্টেশন থেকে যাত্রার টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। নতুন যাত্রাবিরতি চালুর খবরে আশাবাদী হলেও টিকিট না পেয়ে হতাশ হয়েছেন। সাধারণ যাত্রীরা যেন টিকিট কেনার ক্ষেত্রে বঞ্চিত না হন, তা রেলওয়েকে নিশ্চিত করতে হবে।
ওয়াহিদুল ইসলাম নামে আরেক যাত্রী বলেন, ফেনী থেকে সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভালো লাগছিল। কিন্তু টিকিট কাটতে গিয়ে হতাশ হতে হয়েছে। অনলাইনে টিকিট ছাড়ার পর এত দ্রুত টিকিট না পাওয়া গেলে সাধারণ যাত্রীরা কীভাবে টিকিট পাবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত বলেও মন্তব্য করেন।
ফেনীতে বরাদ্দ ৪৭ আসন, কক্সবাজারের ট্রেনের টিকিট যেন সোনার হরিণ
ফেনী রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, মহানগর এক্সপ্রেসে ফেনী স্টেশন থেকে যাত্রার জন্য মোট ৬২টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামগামী যাত্রীদের জন্য ১৫টি এবং কক্সবাজারগামী যাত্রীদের জন্য ৪৭টি আসন। কক্সবাজারগামী আসনের মধ্যে ১৫টি এসি (স্নিগ্ধা), ৩০টি নন-এসি (শোভন চেয়ার) ও দুটি কেবিনের আসন।
যাত্রীদের অভিযোগ, অনলাইনে প্রথম দিনের যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরুর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আসন শেষ হয়ে যায়। ফলে ফেনী থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ তৈরি হলেও সাধারণ যাত্রীরা টিকিট পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। অনলাইন টিকিট বিক্রিতে বৈষম্য ও টিকিট কালোবাজারির অভিযোগও তুলছেন তারা।
ফেনী জংশনের নিয়মিত যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা-কক্সবাজার রুটে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস চালুর পর থেকেই ফেনীর মানুষের দাবি ছিল, ট্রেন দুটির যাত্রাবিরতি দেওয়া হোক। মহানগর এক্সপ্রেসের রুট সম্প্রসারণের ফলে সেই দাবি পূরণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে টিকিট না পাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ স্থানীয় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
অনিক বণিক নামে এক যাত্রী বলেন, ফেনী স্টেশনের জন্য আন্তনগর ট্রেনের আসন বরাদ্দ এমনিতেই কম। তার ওপর অনলাইন টিকিটিং পার্টনার ‘সহজ ডটকম’-এর সার্ভারে টিকিট ছাড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আসন উধাও হয়ে যায়। এতে ফেনীর সাধারণ মানুষের পক্ষে অনলাইনে টিকিট কেটে কক্সবাজার যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। টিকিট নিয়ে সিন্ডিকেট ও কালোবাজারি বন্ধ করতে না পারলে এ সংকটের সমাধান সম্ভব নয়।
ফেনী শহরের বাসিন্দা মো. রাকিব হাসান বলেন, কক্সবাজার যাওয়ার জন্য মহানগর এক্সপ্রেসের টিকিটের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। টিকিট কাটতে গিয়ে দেখেন, ফেনী স্টেশন থেকে যাত্রার টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। নতুন যাত্রাবিরতি চালুর খবরে আশাবাদী হলেও টিকিট না পেয়ে হতাশ হয়েছেন। সাধারণ যাত্রীরা যেন টিকিট কেনার ক্ষেত্রে বঞ্চিত না হন, তা রেলওয়েকে নিশ্চিত করতে হবে।
ওয়াহিদুল ইসলাম নামে আরেক যাত্রী বলেন, ফেনী থেকে সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভালো লাগছিল। কিন্তু টিকিট কাটতে গিয়ে হতাশ হতে হয়েছে। অনলাইনে টিকিট ছাড়ার পর এত দ্রুত টিকিট না পাওয়া গেলে সাধারণ যাত্রীরা কীভাবে টিকিট পাবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত বলেও মন্তব্য করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: October 19, 2026, 4:49 am