শেরপুর সদর উপজেলার ৫ নম্বর ধলা ইউনিয়নের করইতলা বাজারে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত একটি পাবলিক টয়লেট এখন ডেকোরেশন সামগ্রীর গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দীর্ঘদিনের অযত্ন-অবহেলায় টয়লেটটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এমনকি এর ভেতরে মাদকসেবনের আলামতও পাওয়া গেছে।
রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাবলিক টয়লেটের ভেতরে ডেকোরেটরের বিভিন্ন মালামাল স্তূপ করে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি টয়লেটের ভেতরের পরিবেশ দেখে এটি মাদকসেবীদের আড্ডাস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলেও ধারণা পাওয়া যায়। এই পাবলিক টয়লেটের আসবাবপত্রের নেই কোনো ঠিক ঠিকানা।
শেরপুর সদর উপজেলার জনস্বাস্থ্য অফিসের তথ্য মতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে টয়লেটটি নির্মাণ করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। নির্মাণকাজটি বাস্তবায়ন করে জ্বিলানী ট্রেডার্স। ২০২৩ সালের জুন মাসে এটি করইতলা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, শফিক নামে বাজারের এক ডেকোরেটর ব্যবসায়ী এই টয়লেটটি নিজের গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছেন। এ বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। ভিডিও ধারণের সময় তার এক স্বজন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি অর্থে নির্মিত এই পাবলিক টয়লেটটি সাধারণ মানুষ ব্যবহার করতে পারছে না। অনেকেই জানেনই না যে এখানে একটি টয়লেট রয়েছে।
ওই এলাকার মোশাররফ মিয়া বলেন, “আমার বাড়ি বাজারে পাশেই। তবে এই পাবলিক টয়লেট কোনদিন ব্যবহারই করিনি। তিনি এটার ভিতরে মালামাল রেখে এটার পরিবেশ একদম নষ্ট করে ফেলেছেন। এই পাবলিক টয়লেটের ভিতরে ঢুকলে মনে হয় আমি কোনো পরিত্যক্ত ভবনে এসেছি।”
ওই এলাকার মিলন মিয়া বলেন, “পাবলিক টয়লেট আছে এটা জানতামই না। এটা আমরা যতটুকু জানি এটা ডেকোরেটরের গোডাউন তাই ওইখানে যাওয়া হয় না। এই পাবলিক টয়লেটি আদৌ ঠিক হবে কি না আমার জানা নেই।”
১৮ লাখ টাকায় বানানো পাবলিক টয়লেট দখল করে গুদাম ঘর বানিয়েছেন ব্যবসায়ী
শেরপুর সদর উপজেলার ৫ নম্বর ধলা ইউনিয়নের করইতলা বাজারে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত একটি পাবলিক টয়লেট এখন ডেকোরেশন সামগ্রীর গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দীর্ঘদিনের অযত্ন-অবহেলায় টয়লেটটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এমনকি এর ভেতরে মাদকসেবনের আলামতও পাওয়া গেছে।
রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাবলিক টয়লেটের ভেতরে ডেকোরেটরের বিভিন্ন মালামাল স্তূপ করে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি টয়লেটের ভেতরের পরিবেশ দেখে এটি মাদকসেবীদের আড্ডাস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলেও ধারণা পাওয়া যায়। এই পাবলিক টয়লেটের আসবাবপত্রের নেই কোনো ঠিক ঠিকানা।
শেরপুর সদর উপজেলার জনস্বাস্থ্য অফিসের তথ্য মতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে টয়লেটটি নির্মাণ করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। নির্মাণকাজটি বাস্তবায়ন করে জ্বিলানী ট্রেডার্স। ২০২৩ সালের জুন মাসে এটি করইতলা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, শফিক নামে বাজারের এক ডেকোরেটর ব্যবসায়ী এই টয়লেটটি নিজের গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছেন। এ বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। ভিডিও ধারণের সময় তার এক স্বজন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি অর্থে নির্মিত এই পাবলিক টয়লেটটি সাধারণ মানুষ ব্যবহার করতে পারছে না। অনেকেই জানেনই না যে এখানে একটি টয়লেট রয়েছে।
ওই এলাকার মোশাররফ মিয়া বলেন, “আমার বাড়ি বাজারে পাশেই। তবে এই পাবলিক টয়লেট কোনদিন ব্যবহারই করিনি। তিনি এটার ভিতরে মালামাল রেখে এটার পরিবেশ একদম নষ্ট করে ফেলেছেন। এই পাবলিক টয়লেটের ভিতরে ঢুকলে মনে হয় আমি কোনো পরিত্যক্ত ভবনে এসেছি।”
ওই এলাকার মিলন মিয়া বলেন, “পাবলিক টয়লেট আছে এটা জানতামই না। এটা আমরা যতটুকু জানি এটা ডেকোরেটরের গোডাউন তাই ওইখানে যাওয়া হয় না। এই পাবলিক টয়লেটি আদৌ ঠিক হবে কি না আমার জানা নেই।”
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: August 7, 2026, 11:14 am