বুধবার, জুলাই-২২, ২০২৬
নীরব জাতির তাঁতে,
যেখানে কণ্ঠ ভোরের নদীর মতো জেগে ওঠে,
রাজনীতি যেন তার লৌহ মুখোশ ভুলে যায়
আর মনে করে—সে গঠিত মানুষের হৃদয়েই।
না কোনো পাথরের সিংহাসন, না কঠিন পতাকা,
বরং এক কোমল মিলনের প্রান্তর—
যেখানে মানুষের হাত মানুষের হাতকে ছোঁয়
বৃষ্টির মতো, যা ফাটল ধরা মাটিকে ক্ষমা করে।
আমি স্বপ্ন দেখি এমন সভার, যেখানে প্রথম ভাষা নীরবতা,
যেখানে রাগ শেখে শোনার ব্যাকরণ,
আর ক্ষমতা আর চাবুকের মতো নয়,
বরং জীবন্ত বৃক্ষের মতো—ঝুঁকে পড়ে, কিন্তু ভাঙে না।
নির্বাচনের ব্যালট যেন ঝরে পড়ে পবিত্র পাপড়ির মতো,
যা বিভাজন নয়, বপন করে একতার বীজ,
যেখানে অপরিচিতও বলে ওঠে—
“তুমি আমারই ঘরের মানুষ।”
হে অন্তরের আলোয় জাগা শাসক,
তুমি আইন লেখো করুণার কালিতে,
জয়-পরাজয়ের কাগজে নয়,
বরং মানুষের উন্মুক্ত হৃদয়ের তালুতে।
প্রতিটি সীমানা হোক গল্পের মতো কোমল,
প্রতিটি দেশ এক সুরের কবিতা,
যা গায় অদৃশ্য মানবতার কবি—
যিনি কখনও ঘৃণার ভাষা লেখেননি।
যদি রাজনীতি পৃথিবী শাসন করতেই হয়,
তবে সে আগে নদীর কাছে শিখুক—
অহংকার ছাড়া বয়ে চলা,
আর সাগরে মিশেও নিজেকে না হারানো।
আর সেখানেই—জয়-পরাজয়ের শব্দ পেরিয়ে—
আমরা খুঁজে পাই শাসনের নতুন জন্ম,
যা শ্বাসের মতো সহজ,
আর ভালোবাসার মতো অসীম—যার কোনো পতাকা নেই।