জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সরকারি ঘোষণার সুযোগ নিয়ে সাতক্ষীরায় মজুতকৃত তেল বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আজ রবিবার জেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে। অভিযানে শহরের দুটি ফিলিং স্টেশনকে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানের বিবরণ
রবিবার বেলা সাড়ে ১১টা ও দুপুর ১২টার দিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি অভিযান চালানো হয়। এতে ‘এ বি খান ফিলিং স্টেশন’-কে ২০ হাজার টাকা এবং ‘লস্কর ফিলিং স্টেশন’-কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার শাহেদ হোসেন এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
অনিয়ম ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, নতুন দাম ঘোষণার পর জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার স্পষ্টভাবে নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে, ফিলিং স্টেশনগুলোতে আগে থেকে মজুত থাকা তেল পুরনো দামেই বিক্রি করতে হবে। শুধুমাত্র ডিপো থেকে নতুন করে তেল আনার পর তা নির্ধারিত দামে বিক্রি করা যাবে।
তবে সরকারি এ নির্দেশ অমান্য করে সকাল থেকেই স্টেশনগুলো বাড়তি দামে তেল বিক্রি শুরু করে। এ সময় ট্যাগ অফিসাররা বাধা দিলে ফিলিং স্টেশন মালিকরা ঘণ্টাখানেক তেল সরবরাহ বন্ধ রেখে একপ্রকার অচল অবস্থা তৈরি করেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই জরিমানা ও সতর্কবার্তা প্রদান করে।
মজুত পরিস্থিতি
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জ্বালানি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে জেলার ২৯টি ফিলিং স্টেশনে প্রায় ১ লাখ ১ হাজার ৪৩২ লিটার ডিজেল, ৫৪ হাজার ৪৮৫ লিটার পেট্রোল এবং ২২ হাজার ৬৮৩ লিটার অকটেন মজুত রয়েছে।
সহকারী কমিশনার শাহেদ হোসেন জানান, মজুতকৃত তেল বাড়তি দামে বিক্রি করা সম্পূর্ণ বেআইনি। জনগণের স্বার্থে জেলাব্যাপী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অনিয়মের প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাতক্ষীরায় মজুত তেল বাড়তি দামে বিক্রি: দুই ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সরকারি ঘোষণার সুযোগ নিয়ে সাতক্ষীরায় মজুতকৃত তেল বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আজ রবিবার জেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে। অভিযানে শহরের দুটি ফিলিং স্টেশনকে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানের বিবরণ
রবিবার বেলা সাড়ে ১১টা ও দুপুর ১২টার দিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি অভিযান চালানো হয়। এতে ‘এ বি খান ফিলিং স্টেশন’-কে ২০ হাজার টাকা এবং ‘লস্কর ফিলিং স্টেশন’-কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার শাহেদ হোসেন এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
অনিয়ম ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, নতুন দাম ঘোষণার পর জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার স্পষ্টভাবে নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে, ফিলিং স্টেশনগুলোতে আগে থেকে মজুত থাকা তেল পুরনো দামেই বিক্রি করতে হবে। শুধুমাত্র ডিপো থেকে নতুন করে তেল আনার পর তা নির্ধারিত দামে বিক্রি করা যাবে।
তবে সরকারি এ নির্দেশ অমান্য করে সকাল থেকেই স্টেশনগুলো বাড়তি দামে তেল বিক্রি শুরু করে। এ সময় ট্যাগ অফিসাররা বাধা দিলে ফিলিং স্টেশন মালিকরা ঘণ্টাখানেক তেল সরবরাহ বন্ধ রেখে একপ্রকার অচল অবস্থা তৈরি করেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই জরিমানা ও সতর্কবার্তা প্রদান করে।
মজুত পরিস্থিতি
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জ্বালানি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে জেলার ২৯টি ফিলিং স্টেশনে প্রায় ১ লাখ ১ হাজার ৪৩২ লিটার ডিজেল, ৫৪ হাজার ৪৮৫ লিটার পেট্রোল এবং ২২ হাজার ৬৮৩ লিটার অকটেন মজুত রয়েছে।
সহকারী কমিশনার শাহেদ হোসেন জানান, মজুতকৃত তেল বাড়তি দামে বিক্রি করা সম্পূর্ণ বেআইনি। জনগণের স্বার্থে জেলাব্যাপী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অনিয়মের প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 4:31 am