স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিময় পটভূমিতে রচিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সরকারের সাবেক সচিব জনাব ওয়ালিউল ইসলামের আত্মকথনমূলক গ্রন্থ ‘একাত্তরের ইতিকথা’-এর আনুষ্ঠানিক প্রকাশ ও মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর সোশ্যাল মার্কেটিং কম্পানি (এসএমসি)-এর প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বিশিষ্ট প্রকাশনী সংস্থা -মাওলা ব্রাদার্স- থেকে বইটি প্রকাশিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক এবং সমাজ সচেতন ব্যক্তিদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।
অনুষ্ঠানের মূল আলোচনা ও বক্তাদের অভিমত
প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ কেবল একটি রাজনৈতিক সংগ্রাম নয়, এটি ছিল মানুষের চেতনা ও জীবনবোধের এক বিশাল রূপান্তরের সময়। ‘একাত্তরের ইতিকথা’ স্বাধীনতা সংগ্রামের বাস্তব অভিজ্ঞতার এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল, যা নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস গভীরভাবে বুঝতে সহায়তা করবে।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. আবুল কাশেম চৌধুরী বলেন, “ওয়ালিউল ইসলামের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ বইটিকে অনন্য ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। এমন আত্মকথনধর্মী গ্রন্থ ইতিহাসচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।”
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি জনাব মফিদুল হক বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের দলিলভিত্তিক ইতিহাস সংরক্ষণে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক বাস্তবতার সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। গবেষণার ক্ষেত্রে বইটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে কাজ করবে।”
দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক জনাব মতিউর রহমান বলেন, “এটি শুধু স্মৃতিচারণ নয়, বরং স্বাধীনতা সংগ্রামের বাস্তব চিত্রের প্রতিফলন। নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দিতে এ ধরনের বইয়ের বিকল্প নেই।”
নারী অধিকারকর্মী মিসেস শিরিন পারভীন হক বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ একটি মানবিক ও সামাজিক মুক্তির লড়াই ছিল। এই গ্রন্থটি সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে ভূমিকা রাখবে।”
অন্যান্য অতিথিবৃন্দের বক্তব্য
অনুষ্ঠানে সরকারের সাবেক সচিব ও এসএমসি এবং এসএমসি ইএল-এর সাবেক চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আলী এবং জনাব সিদ্দিকুর রহমান চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। তারা লেখকের দীর্ঘ কর্মজীবন, প্রশাসনিক অন্তর্দৃষ্টি এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের অনন্য রাজনৈতিক ও সামাজিক চিত্র তুলে ধরার বিষয়টিকে বিশেষভাবে সাধুবাদ জানান। এসএমসির সম্মানিত সদস্য ডা. খায়েরুল ইসলাম বইটিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দেশপ্রেম ও ইতিহাস সচেতনতার এক অনন্য আকর হিসেবে অভিহিত করেন।
লেখকের বক্তব্য
লেখক জনাব ওয়ালিউল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “এই গ্রন্থটি মূলত আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সময়ের বাস্তবতার প্রতিফলন। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার প্রশাসনিক জটিলতা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং সাধারণ মানুষের অসামান্য সংগ্রামের চিত্র আমি এই বইয়ে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”
অনুষ্ঠানে আরও যারা ছিলেন
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এসএমসি এবং এসএমসি ইএল-এর চেয়ারম্যান জনাব ফারুক আহমেদ, এসএমসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব তছলিম উদ্দিন খান, এসএমসি ইএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সায়েফ নাসিরসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
গ্রন্থ পরিচিতি, আলোচনা, বইয়ের অংশবিশেষ পাঠ এবং ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ ‘একাত্তরের ইতিকথা’-এর মোড়ক উন্মোচিত
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিময় পটভূমিতে রচিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সরকারের সাবেক সচিব জনাব ওয়ালিউল ইসলামের আত্মকথনমূলক গ্রন্থ ‘একাত্তরের ইতিকথা’-এর আনুষ্ঠানিক প্রকাশ ও মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর সোশ্যাল মার্কেটিং কম্পানি (এসএমসি)-এর প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বিশিষ্ট প্রকাশনী সংস্থা -মাওলা ব্রাদার্স- থেকে বইটি প্রকাশিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক এবং সমাজ সচেতন ব্যক্তিদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।
অনুষ্ঠানের মূল আলোচনা ও বক্তাদের অভিমত
প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ কেবল একটি রাজনৈতিক সংগ্রাম নয়, এটি ছিল মানুষের চেতনা ও জীবনবোধের এক বিশাল রূপান্তরের সময়। ‘একাত্তরের ইতিকথা’ স্বাধীনতা সংগ্রামের বাস্তব অভিজ্ঞতার এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল, যা নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস গভীরভাবে বুঝতে সহায়তা করবে।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. আবুল কাশেম চৌধুরী বলেন, “ওয়ালিউল ইসলামের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ বইটিকে অনন্য ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। এমন আত্মকথনধর্মী গ্রন্থ ইতিহাসচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।”
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি জনাব মফিদুল হক বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের দলিলভিত্তিক ইতিহাস সংরক্ষণে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক বাস্তবতার সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। গবেষণার ক্ষেত্রে বইটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে কাজ করবে।”
দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক জনাব মতিউর রহমান বলেন, “এটি শুধু স্মৃতিচারণ নয়, বরং স্বাধীনতা সংগ্রামের বাস্তব চিত্রের প্রতিফলন। নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দিতে এ ধরনের বইয়ের বিকল্প নেই।”
নারী অধিকারকর্মী মিসেস শিরিন পারভীন হক বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ একটি মানবিক ও সামাজিক মুক্তির লড়াই ছিল। এই গ্রন্থটি সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে ভূমিকা রাখবে।”
অন্যান্য অতিথিবৃন্দের বক্তব্য
অনুষ্ঠানে সরকারের সাবেক সচিব ও এসএমসি এবং এসএমসি ইএল-এর সাবেক চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আলী এবং জনাব সিদ্দিকুর রহমান চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। তারা লেখকের দীর্ঘ কর্মজীবন, প্রশাসনিক অন্তর্দৃষ্টি এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের অনন্য রাজনৈতিক ও সামাজিক চিত্র তুলে ধরার বিষয়টিকে বিশেষভাবে সাধুবাদ জানান। এসএমসির সম্মানিত সদস্য ডা. খায়েরুল ইসলাম বইটিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দেশপ্রেম ও ইতিহাস সচেতনতার এক অনন্য আকর হিসেবে অভিহিত করেন।
লেখকের বক্তব্য
লেখক জনাব ওয়ালিউল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “এই গ্রন্থটি মূলত আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সময়ের বাস্তবতার প্রতিফলন। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার প্রশাসনিক জটিলতা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং সাধারণ মানুষের অসামান্য সংগ্রামের চিত্র আমি এই বইয়ে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”
অনুষ্ঠানে আরও যারা ছিলেন
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এসএমসি এবং এসএমসি ইএল-এর চেয়ারম্যান জনাব ফারুক আহমেদ, এসএমসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব তছলিম উদ্দিন খান, এসএমসি ইএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সায়েফ নাসিরসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
গ্রন্থ পরিচিতি, আলোচনা, বইয়ের অংশবিশেষ পাঠ এবং ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 3:41 am