জলানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কাগজ কে পুঁজি করে রাতের আঁধারে ২০ থেকে ২৫টি ট্রাক ডলুরার নদীর পশ্চিম পাড় থেকে অবাধে পাথর অপসারণ করে নিয়ে যাচ্ছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টায় ডলুরা চলতি নদীর পাড়ে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জলানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন ডলুরা নদীর পশ্চিম পাড়ে নিলাম ক্রয়কৃত ২,৯৯,৪৩২ ঘনফুট পাথরের মধ্যে অবশিষ্ট ১,৯৭৫৩২ ঘনফুট পাথর অপসারণের জন্য ৮টি শর্তে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত ৭ দিনের মধ্যে নিজ খরচে পাথর অপসারণের অনুমোদন দেওয়া হয়। যেখানে ৭নং শর্তে উল্লেখ করা হয় রাত্রিকালীন সময়ে কোনোও পাথর অপসারণ করা যাবে না, সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্তের সময়ের মধ্যে পর্যাপ্ত পাথর অপসারণ করতে হবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র একবারেই ভিন্ন। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এই কাগজকে পুঁজি করে রাতের আঁধারে ২০ থেকে ২৫টি ট্রাক ডলুরার নদীর পশ্চিম পাড় থেকে অবাধে পাথর নিয়ে যাচ্ছে।
তবে নিলামকৃত পাথর সরবরাহ করা শাহজাহান বলেন, আমি সুনামগঞ্জে আছি। তবে রাতে পাথর বের হওয়ার সুযোগ নেই। তাহলে এত গাড়ি ভর্তি পাথর লোড হয়ে কোথায় যাচ্ছে জাবাবে তিনি কিছু না বলেই ফোন কেটে দেন।
বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলামকে একাধিক কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিন খান ঢাকা পোস্টকে বলেন, সন্ধ্যার দিকে পাথর লুট হচ্ছে এমন একটি সংবাদ পেয়ে আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। তবে জলানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এই কাগজে উল্লেখ করা আছে রাতে কোনোও পাথর অপসারণ করা যাবে না। যদি কেউ এমন করে তাহলে পাথর অপসারণ বন্ধ করে দেওয়া হবে।
দিনের অনুমতি নিয়ে রাতে চলছে পাথর অপসারণ
জলানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কাগজ কে পুঁজি করে রাতের আঁধারে ২০ থেকে ২৫টি ট্রাক ডলুরার নদীর পশ্চিম পাড় থেকে অবাধে পাথর অপসারণ করে নিয়ে যাচ্ছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টায় ডলুরা চলতি নদীর পাড়ে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জলানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন ডলুরা নদীর পশ্চিম পাড়ে নিলাম ক্রয়কৃত ২,৯৯,৪৩২ ঘনফুট পাথরের মধ্যে অবশিষ্ট ১,৯৭৫৩২ ঘনফুট পাথর অপসারণের জন্য ৮টি শর্তে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত ৭ দিনের মধ্যে নিজ খরচে পাথর অপসারণের অনুমোদন দেওয়া হয়। যেখানে ৭নং শর্তে উল্লেখ করা হয় রাত্রিকালীন সময়ে কোনোও পাথর অপসারণ করা যাবে না, সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্তের সময়ের মধ্যে পর্যাপ্ত পাথর অপসারণ করতে হবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র একবারেই ভিন্ন। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এই কাগজকে পুঁজি করে রাতের আঁধারে ২০ থেকে ২৫টি ট্রাক ডলুরার নদীর পশ্চিম পাড় থেকে অবাধে পাথর নিয়ে যাচ্ছে।
তবে নিলামকৃত পাথর সরবরাহ করা শাহজাহান বলেন, আমি সুনামগঞ্জে আছি। তবে রাতে পাথর বের হওয়ার সুযোগ নেই। তাহলে এত গাড়ি ভর্তি পাথর লোড হয়ে কোথায় যাচ্ছে জাবাবে তিনি কিছু না বলেই ফোন কেটে দেন।
বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলামকে একাধিক কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিন খান ঢাকা পোস্টকে বলেন, সন্ধ্যার দিকে পাথর লুট হচ্ছে এমন একটি সংবাদ পেয়ে আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। তবে জলানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এই কাগজে উল্লেখ করা আছে রাতে কোনোও পাথর অপসারণ করা যাবে না। যদি কেউ এমন করে তাহলে পাথর অপসারণ বন্ধ করে দেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 4:30 am