র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, র্যাব দেশের মানুষের আস্থা ও নির্ভরশীলতার জায়গা করে নিয়েছে। এটা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বুধবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন অর্জন ও সফলতা তুলে ধরেন র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি)।
তিনি বলেন, গত দুই বছরে দেশে ৩৬ হাজার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এ সময় প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার মাদক জব্দ করা হয়েছে।
চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমার দুই বছর দায়িত্ব পালনকালে মাদক চোরচালান বন্ধে অনেক উদ্যোগ নিয়েছি। এই সময়ে ৩৬ হাজার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে তিন হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়েছে।
র্যাবের মহাপরিচালক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ তা বৈশ্বিক যুদ্ধ। সারা বিশ্বিই মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। কারাগারে থাকা বন্দিদের মধ্যে মাদক মামলার আসামিই বেশি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। মাদকের সমস্যা একটি সামাজিক সমস্যা। সবাইকেই দায়িত্বশীল হতে হবে। আমার সন্তানের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া আমার দায়িত্ব, আমাদের শিক্ষকের দায়িত্ব রয়েছে, জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব রয়েছে। আমরা সেভাবে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবো। মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে নেই, এটা বলার সুযোগ নেই। আমরা যখনই খবর পাই, তখনই ব্যবস্থা গ্রহণ করি।
ডিজি বলেন, মাদক অভিযানের সময়ে আমরা আইন অনুযায় দায়িত্ব পালন করি। আইনের বাইরে বিন্দুমাত্র কোনও কিছু প্রয়োগ করি না। প্রচলিত আইন অনুযায় ব্যবস্থা নিই। কোনও ব্যক্তি একটু ধাক্কা দিলো, আর আমাদের সদস্যরা গুলি করে দেবে, বিষয়টা এমন না। যখন যেভাবে যা প্রয়োজন, সেভাবেই প্রচলিত আইনের মধ্যে থেকে কাজ করি।
দেশের মানুষের আস্থার জায়গায় র্যাব: ডিজি
র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, র্যাব দেশের মানুষের আস্থা ও নির্ভরশীলতার জায়গা করে নিয়েছে। এটা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বুধবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন অর্জন ও সফলতা তুলে ধরেন র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি)।
তিনি বলেন, গত দুই বছরে দেশে ৩৬ হাজার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এ সময় প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার মাদক জব্দ করা হয়েছে।
চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমার দুই বছর দায়িত্ব পালনকালে মাদক চোরচালান বন্ধে অনেক উদ্যোগ নিয়েছি। এই সময়ে ৩৬ হাজার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে তিন হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়েছে।
র্যাবের মহাপরিচালক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ তা বৈশ্বিক যুদ্ধ। সারা বিশ্বিই মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। কারাগারে থাকা বন্দিদের মধ্যে মাদক মামলার আসামিই বেশি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। মাদকের সমস্যা একটি সামাজিক সমস্যা। সবাইকেই দায়িত্বশীল হতে হবে। আমার সন্তানের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া আমার দায়িত্ব, আমাদের শিক্ষকের দায়িত্ব রয়েছে, জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব রয়েছে। আমরা সেভাবে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবো। মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে নেই, এটা বলার সুযোগ নেই। আমরা যখনই খবর পাই, তখনই ব্যবস্থা গ্রহণ করি।
ডিজি বলেন, মাদক অভিযানের সময়ে আমরা আইন অনুযায় দায়িত্ব পালন করি। আইনের বাইরে বিন্দুমাত্র কোনও কিছু প্রয়োগ করি না। প্রচলিত আইন অনুযায় ব্যবস্থা নিই। কোনও ব্যক্তি একটু ধাক্কা দিলো, আর আমাদের সদস্যরা গুলি করে দেবে, বিষয়টা এমন না। যখন যেভাবে যা প্রয়োজন, সেভাবেই প্রচলিত আইনের মধ্যে থেকে কাজ করি।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 8:10 am