বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সম্প্রতি ১৫ রমজান নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। প্রচারকারীরা বলছেন, এদিন ফজরের সময় মহাকাশ থেকে বিকট এক আওয়াজ শোনা যাবে এবং সেই আওয়াজে পৃথিবীতে অনেক মানুষের মৃত্যু হবে। এ ধরনের প্রচারণায় ইতিমধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে একটি হাদিসের কথা বলা হচ্ছে। তাতে বলা হয়েছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো এক রমজানে আওয়াজ আসবে। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল, রমজানের শুরুতে নাকি মাঝামাঝি সময়ে? নাকি শেষ দিকে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, না, বরং রমজানের মাঝামাঝি সময়ে। ঠিক মধ্য রমজানের রাতে। শুক্রবার রাতে আকাশ থেকে একটি শব্দ আসবে। সেই শব্দের প্রচণ্ডতায় ৭০ হাজার মানুষ বেহুশ হয়ে যাবে এবং ৭০ হাজার বধির হয়ে যাবে।’
বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও লেখক মুফ্তি হেলাল উদ্দীন হাবিবী এ বিষয়ে রাইজিংবিডিকে বলেন, এই হাদিসের বর্ণনাকারীদের কাউকে কাউকে মুনকার ও পরিত্যাজ্য বলা হয়েছে। আবার কাউকে হাদিস জালকারী বলা হয়েছে। আল মানারুল মুনির কিতাবের ৯৬ পৃষ্ঠায় আল্লামা ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেছেন, এটি মিথ্যা হাদিস।
মুফ্তি হেলাল উদ্দীন বলেন, জাল হাদিসের ভিত্তিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে এ ধরনের আতঙ্ক ছড়ানো উচিত নয়।
১৫ রমজান নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই
বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সম্প্রতি ১৫ রমজান নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। প্রচারকারীরা বলছেন, এদিন ফজরের সময় মহাকাশ থেকে বিকট এক আওয়াজ শোনা যাবে এবং সেই আওয়াজে পৃথিবীতে অনেক মানুষের মৃত্যু হবে। এ ধরনের প্রচারণায় ইতিমধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে একটি হাদিসের কথা বলা হচ্ছে। তাতে বলা হয়েছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো এক রমজানে আওয়াজ আসবে। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল, রমজানের শুরুতে নাকি মাঝামাঝি সময়ে? নাকি শেষ দিকে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, না, বরং রমজানের মাঝামাঝি সময়ে। ঠিক মধ্য রমজানের রাতে। শুক্রবার রাতে আকাশ থেকে একটি শব্দ আসবে। সেই শব্দের প্রচণ্ডতায় ৭০ হাজার মানুষ বেহুশ হয়ে যাবে এবং ৭০ হাজার বধির হয়ে যাবে।’
বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও লেখক মুফ্তি হেলাল উদ্দীন হাবিবী এ বিষয়ে রাইজিংবিডিকে বলেন, এই হাদিসের বর্ণনাকারীদের কাউকে কাউকে মুনকার ও পরিত্যাজ্য বলা হয়েছে। আবার কাউকে হাদিস জালকারী বলা হয়েছে। আল মানারুল মুনির কিতাবের ৯৬ পৃষ্ঠায় আল্লামা ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেছেন, এটি মিথ্যা হাদিস।
মুফ্তি হেলাল উদ্দীন বলেন, জাল হাদিসের ভিত্তিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে এ ধরনের আতঙ্ক ছড়ানো উচিত নয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:33 am