ঝড়ো ঠান্ডা হাওয়া, কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি আবার কখনো ভারী বৃষ্টি। সবকিছু উপেক্ষা করেই জ্বালানি তেলের জন্য রাজধানীর ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালকদের। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর মিলছে মাত্র ৫০০ টাকার তেল। এতে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন জ্বালানি তেলপ্রত্যাশীরা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর তেজগাঁও লিংক রোডে অবস্থিত আইডিয়াল ফিলিং স্টেশন ঘুরে এবং তেলপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ওই ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার জন্য মোটরসাইকেলের লাইন হাতিরঝিল পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। সড়কের এক পাশে সারি ধরে দাঁড়িয়ে আছে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার। যান চলাচলের জন্য খোলা ছিল আরেকটি লেন, তবুও আশপাশের এলাকায় ধীরগতির যানজট তৈরি হয়েছিল।
রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। রাত ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়, কিছুক্ষণের মধ্যেই নামে বৃষ্টি। যাদের সঙ্গে রেইনকোট ছিল, তারা তা পরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। কেউ ছাতা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন, আবার কেউ মোটরসাইকেল রেখে আশ্রয় নেন গাছের নিচে কিংবা ফুটপাতের চায়ের দোকানে। তবে অনেকেই কোনো আশ্রয় না পেয়ে ভিজতে ভিজতেই অপেক্ষা করেছেন।
সবকিছু উপেক্ষা করে তেলের আশায় চাতক পাখির মতো তাকিয়ে থাকতে দেখা যায় চালকদের। অপেক্ষার ফাঁকে ফাঁকে ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা মাইকে ঘোষণা দিচ্ছিলেন, ‘তেল প্রায় শেষের দিকে। আপনারা কেউ বিশৃঙ্খলা করবেন না। যতক্ষণ পর্যন্ত তেল আছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা সরবরাহ চালিয়ে যাব।’
এমন ঘোষণায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা চালকদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। অনেকেই একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন—দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও যদি তেল না পাওয়া যায়, তাহলে সব পরিশ্রমই বৃথা যাবে।
তেল পাওয়ার পর জাহিদ আহসান নামে এক মোটরসাইকেল চালক ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমি সাড়ে ৮টার দিকে লাইনের একেবারে শেষ দিকে দাঁড়িয়েছিলাম। এর মধ্যে তিনবার ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজেছি। সবকিছু ভিজে গেছে, এমনকি শার্টও দুবার শুকিয়ে আবার ভিজেছে। শেষ পর্যন্ত প্রায় পৌনে ১১টার দিকে মাত্র ৫০০ টাকার তেল পেয়েছি। এই তেল না পেলে আজ বাইক ঠেলে বাসায় যেতে হতো।
রাইডশেয়ারিং চালক জাকির হোসেন বলেন, প্রতিদিন অন্তত ৫০০ টাকার তেল লাগে। কিন্তু যেখানেই যাই, তেল নিতে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগছে। ঢাকার সব পাম্পে তেল পাওয়া যায় না। যদি সব পাম্পে সরবরাহ থাকত, তাহলে এত বড় লাইন হতো না।
তিনি আরও বলেন, বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে আছি, তবুও সংশয় হচ্ছে—কাছাকাছি গিয়ে যদি শুনতে হয় তেল শেষ। আজ তেল না তুলতে পারলে কাল সকালে ট্রিপ শুরু করতে পারব না। সকালে আবার লাইনে দাঁড়াতে হবে।
ফিলিং স্টেশনের কাছাকাছি থাকা প্রাইভেটকার চালক রাশেদুল ইসলাম বলেন, আমি হাতিরঝিলের ভেতর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার লাইন ধরে এখানে এসেছি। দুইটা পাম্প ঘুরে এখানে দাঁড়িয়েছি। হাজীপাড়া পাম্পে দেড় ঘণ্টা লাইনে থাকার পর জানানো হলো অকটেন শেষ। এখন দেখি এখানে পাই কি না।
৫০০ টাকার তেলের জন্য ঝড়-বৃষ্টিতে আড়াই ঘণ্টা!
ঝড়ো ঠান্ডা হাওয়া, কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি আবার কখনো ভারী বৃষ্টি। সবকিছু উপেক্ষা করেই জ্বালানি তেলের জন্য রাজধানীর ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালকদের। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর মিলছে মাত্র ৫০০ টাকার তেল। এতে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন জ্বালানি তেলপ্রত্যাশীরা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর তেজগাঁও লিংক রোডে অবস্থিত আইডিয়াল ফিলিং স্টেশন ঘুরে এবং তেলপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ওই ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার জন্য মোটরসাইকেলের লাইন হাতিরঝিল পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। সড়কের এক পাশে সারি ধরে দাঁড়িয়ে আছে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার। যান চলাচলের জন্য খোলা ছিল আরেকটি লেন, তবুও আশপাশের এলাকায় ধীরগতির যানজট তৈরি হয়েছিল।
রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। রাত ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়, কিছুক্ষণের মধ্যেই নামে বৃষ্টি। যাদের সঙ্গে রেইনকোট ছিল, তারা তা পরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। কেউ ছাতা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন, আবার কেউ মোটরসাইকেল রেখে আশ্রয় নেন গাছের নিচে কিংবা ফুটপাতের চায়ের দোকানে। তবে অনেকেই কোনো আশ্রয় না পেয়ে ভিজতে ভিজতেই অপেক্ষা করেছেন।
সবকিছু উপেক্ষা করে তেলের আশায় চাতক পাখির মতো তাকিয়ে থাকতে দেখা যায় চালকদের। অপেক্ষার ফাঁকে ফাঁকে ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা মাইকে ঘোষণা দিচ্ছিলেন, ‘তেল প্রায় শেষের দিকে। আপনারা কেউ বিশৃঙ্খলা করবেন না। যতক্ষণ পর্যন্ত তেল আছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা সরবরাহ চালিয়ে যাব।’
এমন ঘোষণায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা চালকদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। অনেকেই একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন—দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও যদি তেল না পাওয়া যায়, তাহলে সব পরিশ্রমই বৃথা যাবে।
তেল পাওয়ার পর জাহিদ আহসান নামে এক মোটরসাইকেল চালক ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমি সাড়ে ৮টার দিকে লাইনের একেবারে শেষ দিকে দাঁড়িয়েছিলাম। এর মধ্যে তিনবার ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজেছি। সবকিছু ভিজে গেছে, এমনকি শার্টও দুবার শুকিয়ে আবার ভিজেছে। শেষ পর্যন্ত প্রায় পৌনে ১১টার দিকে মাত্র ৫০০ টাকার তেল পেয়েছি। এই তেল না পেলে আজ বাইক ঠেলে বাসায় যেতে হতো।
রাইডশেয়ারিং চালক জাকির হোসেন বলেন, প্রতিদিন অন্তত ৫০০ টাকার তেল লাগে। কিন্তু যেখানেই যাই, তেল নিতে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগছে। ঢাকার সব পাম্পে তেল পাওয়া যায় না। যদি সব পাম্পে সরবরাহ থাকত, তাহলে এত বড় লাইন হতো না।
তিনি আরও বলেন, বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে আছি, তবুও সংশয় হচ্ছে—কাছাকাছি গিয়ে যদি শুনতে হয় তেল শেষ। আজ তেল না তুলতে পারলে কাল সকালে ট্রিপ শুরু করতে পারব না। সকালে আবার লাইনে দাঁড়াতে হবে।
ফিলিং স্টেশনের কাছাকাছি থাকা প্রাইভেটকার চালক রাশেদুল ইসলাম বলেন, আমি হাতিরঝিলের ভেতর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার লাইন ধরে এখানে এসেছি। দুইটা পাম্প ঘুরে এখানে দাঁড়িয়েছি। হাজীপাড়া পাম্পে দেড় ঘণ্টা লাইনে থাকার পর জানানো হলো অকটেন শেষ। এখন দেখি এখানে পাই কি না।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 4:41 am