অন্যান্য কার্যদিবসের মতোই ছিল দিনের সকালটা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছোট্ট একটি মন্তব্য এনে দিয়েছে ভিন্ন আমেজ। রোববার, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে সকালে নিজ বাসভবন থেকে বের হওয়ার সময় উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে মুচকি হেসে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চলেন যুদ্ধে যাই।’
দৈনন্দিন রাষ্ট্র পরিচালনার বিশাল কর্মযজ্ঞকে অনেকটা যুদ্ধের মতোই চ্যালেঞ্জিং হিসেবে বিবেচনা করে তিনি রসিকতার ছলে এমন মন্তব্য করেন। এ সময় তার পাশে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন তিন শব্দের এই লাইন বললেন, তখন সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা হতচকিত হয়ে পড়েন। পরক্ষণেই উপস্থিত কারো-ই বুঝতে বাকি রইলা না যে তিনি দেশ পরিচালনার কাজকে ‘যুদ্ধ’ বলে বুঝিয়েছেন। তিন শব্দের চমকপ্রদ লাইনে দেশ গঠনে তার প্রতিদিনের সংগ্রামের কথা বলেছেন।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানিয়েছেন, তিনি সকাল ৮টা ৪২মিনিটে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্দেশ্যে রাজধানীর গুলশানের বাড়ি থেকে বের হন। দেশের প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা প্রস্তুত থাকেন। প্রতিদিনের মতো সেই প্রস্তুতি নিয়ে তারা যখন প্রধানমন্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করছিলেন, ঠিক তখন বাড়ির দরজা খুলেই চিরাচরিত হাস্যোজ্জ্বল মুখে সবার উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন তিনি।
আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী
বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন ‘চলেন যুদ্ধে যাই’
অন্যান্য কার্যদিবসের মতোই ছিল দিনের সকালটা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছোট্ট একটি মন্তব্য এনে দিয়েছে ভিন্ন আমেজ। রোববার, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে সকালে নিজ বাসভবন থেকে বের হওয়ার সময় উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে মুচকি হেসে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চলেন যুদ্ধে যাই।’
দৈনন্দিন রাষ্ট্র পরিচালনার বিশাল কর্মযজ্ঞকে অনেকটা যুদ্ধের মতোই চ্যালেঞ্জিং হিসেবে বিবেচনা করে তিনি রসিকতার ছলে এমন মন্তব্য করেন। এ সময় তার পাশে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন তিন শব্দের এই লাইন বললেন, তখন সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা হতচকিত হয়ে পড়েন। পরক্ষণেই উপস্থিত কারো-ই বুঝতে বাকি রইলা না যে তিনি দেশ পরিচালনার কাজকে ‘যুদ্ধ’ বলে বুঝিয়েছেন। তিন শব্দের চমকপ্রদ লাইনে দেশ গঠনে তার প্রতিদিনের সংগ্রামের কথা বলেছেন।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানিয়েছেন, তিনি সকাল ৮টা ৪২মিনিটে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্দেশ্যে রাজধানীর গুলশানের বাড়ি থেকে বের হন। দেশের প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা প্রস্তুত থাকেন। প্রতিদিনের মতো সেই প্রস্তুতি নিয়ে তারা যখন প্রধানমন্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করছিলেন, ঠিক তখন বাড়ির দরজা খুলেই চিরাচরিত হাস্যোজ্জ্বল মুখে সবার উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন তিনি।
আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 4:41 am