খাগড়াছড়িতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে তা চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
ভোটগ্রহণের শুরু থেকে সকাল সাড়ে ৮ টা পর্যন্ত জেলা সদরের পেরাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়, খবং পড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ, শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে কোথাও ভোটারের তেমন লাইন নেই। তবে বেলা বাড়লে ভোটারের উপস্থিতি বাড়বে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
খাগড়াছড়ির একমাত্র সংসদীয় আসনে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে মূলত বিএনপি, জামায়াত এবং দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
ভোটগ্রহণের শুরুর দিকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার প্রত্যন্ত পাহাড়ি কেন্দ্রগুলোতে এখনো ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম।
খবং পড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. আনিসুর রহমান বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে দুই একজন ভোটার ভোট দিতে আসছেন। এই কেন্দ্রে ভোটার রয়েছে ২০০১ জন। বেলা বাড়লে বাড়বে ভোটার।
জেলার ২০৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে ১২১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৬৮টি কেন্দ্রকে অতিঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
নির্বাচনকে ঘিরে জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। জেলার ৯টি উপজেলায় ৪ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে রয়েছেন।
খাগড়াছড়িতে শান্তিপূর্ণভাবে চলছে ভোটগ্রহণ, ভোটারের উপস্থিতি কম
খাগড়াছড়িতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে তা চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
ভোটগ্রহণের শুরু থেকে সকাল সাড়ে ৮ টা পর্যন্ত জেলা সদরের পেরাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়, খবং পড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ, শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে কোথাও ভোটারের তেমন লাইন নেই। তবে বেলা বাড়লে ভোটারের উপস্থিতি বাড়বে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
খাগড়াছড়ির একমাত্র সংসদীয় আসনে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে মূলত বিএনপি, জামায়াত এবং দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
ভোটগ্রহণের শুরুর দিকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার প্রত্যন্ত পাহাড়ি কেন্দ্রগুলোতে এখনো ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম।
খবং পড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. আনিসুর রহমান বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে দুই একজন ভোটার ভোট দিতে আসছেন। এই কেন্দ্রে ভোটার রয়েছে ২০০১ জন। বেলা বাড়লে বাড়বে ভোটার।
জেলার ২০৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে ১২১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৬৮টি কেন্দ্রকে অতিঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
নির্বাচনকে ঘিরে জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। জেলার ৯টি উপজেলায় ৪ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে রয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 8:08 am