বগুড়ার কাহালুতে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের হাসুয়ার আঘাতে মিলন ওরফে টাইগার মিলন (৩০) নামে এক সৎ বাবা নিহত হয়েছেন।
উপজেলা পশু হাসপাতালের সামনে বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিলন হোসেন স্থানীয়ভাবে টাইগার মিলন নামে পরিচিত। তিনি উপজেলার পালপাড়া এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় আট থেকে ৯ বছর আগে মিলন জামতলা গ্রামের চার সন্তানের জননী মেঘনা বেগমকে (৩৫) বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই তারা পশু হাসপাতালের পাশে একটি পরিত্যক্ত ভবনে বসবাস করছিলেন। তবে মেঘনার প্রথম স্বামী নাজুর ছেলে শামীম হোসেন (২২) সৎ বাবাকে মেনে নিতে পারেননি। এ নিয়ে পরিবারে প্রায়ই বিবাদ হতো। বৃহস্পতিবার বিকেলে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে আবারও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে শামীম হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে মিলনের ওপর এলোপাতাড়ি কোপ দেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা টাইগার মিলনকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এরপর রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাহালু থানা-পুলিশ অভিযুক্ত শামীম হোসেন ও তার মা মেঘনা বেগমকে আটক করে।
কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিতাই চন্দ্র সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটকের পর তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
বগুড়ায় ছেলের হাসুয়ার আঘাতে বাবা নিহত
বগুড়ার কাহালুতে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের হাসুয়ার আঘাতে মিলন ওরফে টাইগার মিলন (৩০) নামে এক সৎ বাবা নিহত হয়েছেন।
উপজেলা পশু হাসপাতালের সামনে বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিলন হোসেন স্থানীয়ভাবে টাইগার মিলন নামে পরিচিত। তিনি উপজেলার পালপাড়া এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় আট থেকে ৯ বছর আগে মিলন জামতলা গ্রামের চার সন্তানের জননী মেঘনা বেগমকে (৩৫) বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই তারা পশু হাসপাতালের পাশে একটি পরিত্যক্ত ভবনে বসবাস করছিলেন। তবে মেঘনার প্রথম স্বামী নাজুর ছেলে শামীম হোসেন (২২) সৎ বাবাকে মেনে নিতে পারেননি। এ নিয়ে পরিবারে প্রায়ই বিবাদ হতো। বৃহস্পতিবার বিকেলে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে আবারও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে শামীম হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে মিলনের ওপর এলোপাতাড়ি কোপ দেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা টাইগার মিলনকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এরপর রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাহালু থানা-পুলিশ অভিযুক্ত শামীম হোসেন ও তার মা মেঘনা বেগমকে আটক করে।
কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিতাই চন্দ্র সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটকের পর তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:29 am