খাগড়াছড়ি শহরে ড্রেন থেকে এক জীবিত নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। কান্নার শব্দ শুনে ড্রেনের কচুরিপানার ভেতর থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করে এলাকাবাসী।
সোমবার (২০ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে পূর্ব শান্তিনগর এলাকার একটি ড্রেনে নবজাতকটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় শিশুটি প্রাণে বেঁচে যায় এবং বর্তমানে তাকে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি সদর থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধার হওয়া শিশুটি বর্তমানে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা তানভির হোসেন রাকিব বলেন, আমি এলাকায় চায়ের দোকানে বসেছিলাম। হঠাৎ কান্নার শব্দ শুনে ড্রেনের দিকে যাই, দেখি একটি নবজাতক পড়ে আছে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই।
খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে শিশুটির জন্ম হতে পারে।
এদিকে শিশুটির পরিবারের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। স্থানীয় মিনু চৌধুরী, তানভির হোসেন রাকিবসহ কয়েকজন বর্তমানে নবজাতকটির দেখভাল করছেন।
এই অমানবিক ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। শিশুটির পরিচয় ও পরিবারের সন্ধান পেতে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
খাগড়াছড়িতে ড্রেন থেকে জীবিত নবজাতক উদ্ধার
খাগড়াছড়ি শহরে ড্রেন থেকে এক জীবিত নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। কান্নার শব্দ শুনে ড্রেনের কচুরিপানার ভেতর থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করে এলাকাবাসী।
সোমবার (২০ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে পূর্ব শান্তিনগর এলাকার একটি ড্রেনে নবজাতকটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় শিশুটি প্রাণে বেঁচে যায় এবং বর্তমানে তাকে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি সদর থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধার হওয়া শিশুটি বর্তমানে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা তানভির হোসেন রাকিব বলেন, আমি এলাকায় চায়ের দোকানে বসেছিলাম। হঠাৎ কান্নার শব্দ শুনে ড্রেনের দিকে যাই, দেখি একটি নবজাতক পড়ে আছে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই।
খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে শিশুটির জন্ম হতে পারে।
এদিকে শিশুটির পরিবারের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। স্থানীয় মিনু চৌধুরী, তানভির হোসেন রাকিবসহ কয়েকজন বর্তমানে নবজাতকটির দেখভাল করছেন।
এই অমানবিক ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। শিশুটির পরিচয় ও পরিবারের সন্ধান পেতে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:31 am