নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় মো. জাহিদ উদ্দিন (৩০) নামে এক হরিণ শিকার ও মাংস পাচারকারীকেকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার নলচিরা ঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে বিচারকের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
মো. জাহিদ উদ্দিন হাতিয়া উপজেলার নলচিরা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল খায়েরের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জাহিদ স্বীকার করে, সে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সক্রিয় সদস্য, যারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বন থেকে হরিণ শিকার করে মাংস ও অন্যান্য দেহাংশ পাচার করে আসছে।
হাতিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিনহাজ উদ্দিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নলচিরা ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাহিদকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে হরিণের কাঁচা মাংস উদ্ধার করা হয়, যার ওজন প্রায় তিন কেজি পাঁচশ গ্রাম।
ঘটনার পর স্থানীয় বনবিভাগের নলচিরা বিট অফিসার আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে জাহিদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৭) অনুযায়ী একটি মামলা দায়ের করেন। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এদিকে হাতিয়ার বিস্তৃত বনাঞ্চলে প্রচুর বন্য হরিণের বসবাস রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এসব হরিণ শিকার ও পাচারের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। পরিবেশবাদীরা এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বনবিভাগের নজরদারি এবং কঠোর আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজমল হুদা ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, জাহিদ ছাড়াও এই চক্রের আরও সদস্য রয়েছে। তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হাতিয়ার জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পুলিশ ও বন বিভাগ একসঙ্গে কাজ করছে।
যুবকের ব্যাগে মিলল হরিণের মাংস, কারাগারে প্রেরণ
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় মো. জাহিদ উদ্দিন (৩০) নামে এক হরিণ শিকার ও মাংস পাচারকারীকেকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার নলচিরা ঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে বিচারকের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
মো. জাহিদ উদ্দিন হাতিয়া উপজেলার নলচিরা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল খায়েরের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জাহিদ স্বীকার করে, সে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সক্রিয় সদস্য, যারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বন থেকে হরিণ শিকার করে মাংস ও অন্যান্য দেহাংশ পাচার করে আসছে।
হাতিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিনহাজ উদ্দিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নলচিরা ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাহিদকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে হরিণের কাঁচা মাংস উদ্ধার করা হয়, যার ওজন প্রায় তিন কেজি পাঁচশ গ্রাম।
ঘটনার পর স্থানীয় বনবিভাগের নলচিরা বিট অফিসার আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে জাহিদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৭) অনুযায়ী একটি মামলা দায়ের করেন। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এদিকে হাতিয়ার বিস্তৃত বনাঞ্চলে প্রচুর বন্য হরিণের বসবাস রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এসব হরিণ শিকার ও পাচারের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। পরিবেশবাদীরা এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বনবিভাগের নজরদারি এবং কঠোর আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজমল হুদা ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, জাহিদ ছাড়াও এই চক্রের আরও সদস্য রয়েছে। তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হাতিয়ার জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পুলিশ ও বন বিভাগ একসঙ্গে কাজ করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:30 am