নড়াইলের কালিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ফরিদ মোল্লা (৫৭) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ২০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার (১১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার বাবরা-হাচলা ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ফরিদ মোল্লা নিহত হন। এ ঘটনার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে দুই পক্ষের ২০ জনকে আটক করেছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাঞ্চনপুর গ্রামের মিলন মোল্লা ও আফতাব মোল্লার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে মিলন মোল্লার পক্ষের সানোয়ার নড়াইল আদালতে হাজিরা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আফতাব মোল্লার পক্ষের লোকজন তাকে একা পেয়ে মারধর করেন। এর প্রতিক্রিয়ায় শুক্রবার সন্ধ্যায় মিলন মোল্লার পক্ষের লোকজন আফতাব মোল্লার বাড়িতে হামলা চালান। এরপর উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ফরিদ মোল্লা নামে একজন মারাত্মক আহত হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশিদুল ইসলাম বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ফরিদ মোল্লা নিহতের ঘটনায় উভয় পক্ষের ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত আছে।
নড়াইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আটক ২০
নড়াইলের কালিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ফরিদ মোল্লা (৫৭) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ২০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার (১১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার বাবরা-হাচলা ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ফরিদ মোল্লা নিহত হন। এ ঘটনার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে দুই পক্ষের ২০ জনকে আটক করেছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাঞ্চনপুর গ্রামের মিলন মোল্লা ও আফতাব মোল্লার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে মিলন মোল্লার পক্ষের সানোয়ার নড়াইল আদালতে হাজিরা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আফতাব মোল্লার পক্ষের লোকজন তাকে একা পেয়ে মারধর করেন। এর প্রতিক্রিয়ায় শুক্রবার সন্ধ্যায় মিলন মোল্লার পক্ষের লোকজন আফতাব মোল্লার বাড়িতে হামলা চালান। এরপর উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ফরিদ মোল্লা নামে একজন মারাত্মক আহত হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশিদুল ইসলাম বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ফরিদ মোল্লা নিহতের ঘটনায় উভয় পক্ষের ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত আছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 8:11 am