কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ইনানী পাথুরে সমুদ্র সৈকত পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্পটে পরিণত হয়েছে।

প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটকের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব লীলা নিকেতন ইনানী পাথুরে সমুদ্র সৈকত। দীর্ঘ ৯ মাস করোনা কালীন সময় অতিক্রমের পর পর্যটন শি্ল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যবসায়ীরা আবারো চাঙা হয়ে উঠেছে।

হোটেল মোটেল, কীটকট,শামুক, ঝিনুক,আচার, প্রসাধনী,ডাব ও অন্যান্য পণ্য সাজিয়ে যারা ব্যবসা করছেন তারা মহা খুশি। কারণ করোনার ফলে ব্যাপক লোকসান কাটিয়ে উঠে আবারো ঘুরে দাঁড়িয়েছে ব্যবসায়ীরা। স্বাভাবিক জীবন যাপন শুরু হওয়ায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।

প্রতিদিন সকাল থেকে ভাসমান ব্যবসায়ীরা দেশি বিদেশি পর্যটকের অপেক্ষায় রকমারি পণ্য সাজিয়ে বরণের জন্য উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।পর্যটকদের কেনা কাটার ওপর নির্ভর করে অন্তত শত শত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পরিবারের সংসার চলে ইনানী সমুদ্র সৈকতকে কেন্দ্র করে।

ঝিনুক-শামুক ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন মিটু জানিয়েছেন, দুর্ভোগ কাটিয়ে উঠে তারা স্বাভাবিক ব্যবসায় ফিরেছেন। সার্বক্ষণিক পুলিশের নজরদারীতে ব্যবসায়ী পর্যটক সকলে সকাল সন্ধ্যা নিরাপত্তার চাদরে ডাকা থাকে। তাই ইনানী সমুদ্র সৈকত মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশে পাথুরে সৈকতের ওপর সাগরের জলরাশি মহা মিতালী সত্যিই পর্যটকদের খুব বেশি আকর্ষণ করে।

সারমিন ইয়াসমিন নামের এক পর্যটক বলেন, ইনানী সমুদ্র সৈকতে প্রথম এসেছি। বইয়ের পাতায় যা পড়েছি সত্যিই ইনানী সমুদ্র সৈকত তার চাইতে অধিক সুন্দর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *