নিরাপত্তা হুমকির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল পুলিশ ঐ এলাকা বন্ধ ঘোষণা করেছে। কংগ্রেসের অধিবেশনের মাধ্যমে ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের ফল এবং জো বাইডেনকে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ঘোষণার প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়ে ক্যাপিটল হিল চত্বরে প্রবেশ করে এবং নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

নিরাপত্তা হুমকির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল পুলিশ ঐ এলাকা বন্ধ ঘোষণা করেছে। কংগ্রেসের অধিবেশনের মাধ্যমে ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের ফল এবং জো বাইডেনকে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ঘোষণার প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়ে ক্যাপিটল হিল চত্বরে প্রবেশ করে এবং নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

কংগ্রেস অধিবেশনের সময় এই গোলযোগের কারণে জানা গেছে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স সিক্রেট সার্ভিসের সহায়তায় কংগ্রেস ভবনটির আন্ডারগ্রাউন্ড টানেল দিয়ে নিরাপদে সরে গেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া এবং আমেরিকান গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে ট্রাম্প সমর্থকরা কংগ্রেসের এবং ক্যাপিটল ভবনের বাইরে পুলিশের বাধা ভাঙ্গে। টিভি নিউজ রিপোর্টে বলা হয় কিছু প্রতিবাদকারী আইন ভাঙ্গার চেষ্টা করার সময় তাদের ওপর কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। তারা হাউস চেম্বারের দরজা ভাঙ্গার চেষ্টা করে।

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের বিভিন্ন ধাপে কংগ্রেসের এই সত্যায়ন একটি রুটিন এবং একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান। ১৪ই ডিসেম্বর ইলেক্টোরাল কলেজ আনুষ্ঠানিকভাবে জো বাইডেনকে নির্বাচিত করার পরে চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসাবে করা হচ্ছিল।

ক্যাপিটল ভবনে জনসমাবেশ হওয়ার সাথে সাথে এবং পুলিশের সাথে সংঘর্ষের জের ধরে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তাদের প্রতি টুইট করে বলেন “ক্যাপিটল পুলিশ এবং আইন প্রয়োগকারীদের সমর্থন করুন” এবং শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় রাখতে বলেন।

ওয়াশিংটনের মেয়র মিউরিয়েল বাউসার স্থানীয় সময় ৬ টা থেকে কার্ফিউ জারি করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *