বান্দরবানের নাইক্ষ‌্যংছড়ি উপজেলায় ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু বাইশফাড়ীতে করলার চাষ করে সফলতার দেখালেন কৃষক সানু বড়ুয়া। এতে কৃষক যেমন লাভবান হয়েছে,তেমনি দাম নিয়ন্ত্রণে থাকায় ক্রেতাদের মধ্যে ফিরে এসেছে স্বস্তি।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশফাড়ী পাহাড়ী এলাকায় করলা চাষ, এখন লাভজনক হয়ে উঠেছে। কৃষি ক্ষেত্রে সরকারী প্রণোদনার সঠিক ব্যবহার হলে অন্যান্য সবজির ফলন আরো বাড়ানো সম্ভবনার কথা জানালেন কৃষকরা।
কৃষক সানু সহ ৫/৭ জন কৃষক এই প্রতিবেদক কে জানান করলা চাষ শুরু করেন ভ্রাদ্রমাসে। কার্তিক মাসের শেষ দিকে তুলতে শুরু করেন করলা। এখন পাইকারী ব্যবসায়ীদের কাছে ৪০’ টাকা দরে কেজি বিক্রি করেছেন তার। সরজমিনে গিয়ে দেখাযায় করলা সহ বিভিন্ন সবজি উৎপাদনে এই সফলতা এসেছে সম্পূর্ন ব্যক্তিগত উদ্যোগে।
স্থানীয় বাইশফাড়ী সীমান্ত এলাকার পাহাড়ী বাঙ্গালী গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড় এর সভাপতি ও পল্লী ডাক্তার সাত্তার আহাম্মেদ বলেন, সানু বড়ুয়া অনেক কষ্ট করে এই সবজি ক্ষেত চাষাবাদ করেছেন। সানু বড়ুয়ার অক্লান্ত পরিশ্রমের কারনে তিনি আজ সবজি চাষে সফলতার মুখ দেখছেন।
উত্তর ঘুমধুম বড়ুয়া পাড়ার কৃষক সানু বড়ুয়া, বাইশফাড়ী চাকমা পাড়ার কৃষক মাইলা তংচঙ্গ‌্যার চাষাবাদের কোন জমি নেই, তবুও তারা বসে নেই। পাহাড়ের টিলায় করলা চাষ করে এলাকায় দারুন প্রতিভা দেখিয়েছেন তারা।
কৃষক সানু বড়ুয়া এ প্রতিবেদককে বললেন, ২ একর জমিতে করলা বেগুন, সীম ও ছষা চাষ করেছি। আমার কাছে নগদ কোন টাকা না থাকায় বিভিন্ন এনজিও সংস্থার কাছ থেকে ধার কর্যকরে কোন রকম ভাবে এই সবজি ক্ষেত করেছি। সরকারী ভাবে যদি সবজি চাষের জন‌্য কিছু প্রণোদনা দেওয়া হয় তাহলে আরো বেশি করে চাষ করতে পারতাম।
তিনি আরো বলেন, আমি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও জেলা কৃষি কর্মকর্তাদের কাছে যাব সরকারি ভাবো কিছু সহায়তা পেলে ভবিস‌্যতে ফলন আরো বাড়াব।নাইক্ষ্যছড়ি উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইমামুল হক। জানান পার্বত্য এলাকার গুলো ওরভব সেই সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী দেশের প্রতিটি জমিতে সবজি চায় সহ বিভিন্ন চাষাবাদে। আমাদের উপ কৃষি কর্মকর্তারা সবসময় সেবা দয়ে আসছে আর বিভিন্ন সময় ৫ ইউনিয়নের তালিকা ভৃক্ত কৃষকদের বিজ ও সার দিয়েতাকি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *