কাপড়ের মাস্ককে বিদায় জানান। কারণ জনপ্রিয় ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এলজি প্রথমবারের মতো নিয়ে এলো বায়ু বিশুদ্ধকরণ মাস্ক। চলতি বছরই বার্লিনে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য প্রদর্শনীতে এ মাস্ক প্রদর্শনের কথা ছিলো এলজি’র। কিন্তু মহামারির কারণে এখন বুথেই প্রদর্শন করা হবে এ মাস্ক।

পিউরিকেয়ার ওয়্যারেবল এয়ার পিউরিফায়ারটিতে আছে দুটি হেপ ফিল্টার। কোরিয়ান কোম্পানিটি বাসা বাড়িতে বায়ু বিশুদ্ধকরণ আর জীবাণুনাশের জন্য যে এয়ার পিউরিফায়ার পণ্যগুলো তৈরি করে, সেগুলোতেও এই হেপ ফিল্টার আছে।

মাস্কটিতে সেন্সর লাগানো আছে, যেন ব্যবহারকারীর নিঃশ্বাসের সঙ্গে ভেতরের ফ্যানের গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই মাস্ক পড়ে নিঃশ্বাস নিতেও ব্যবহারকারীর খুব একটা সমস্যা হবে না।

এলজি কর্তৃপক্ষ বলছে, দু’টি ফ্যান পরিস্কার আর বিশুদ্ধ বাতাস নিঃশ্বাসের সঙ্গে গ্রহণের সুবিধা দেয়। মাস্কটি ব্যবহারকারীর মুখে বেশ ভালোভাবেই বসে যায়।

সবচেয়ে বড় বিষয়, মাস্কটিতে আছে আল্ট্রাভায়োলেট এলইডি লাইট, যেটা ক্ষতিকারক জীবাণু ধ্বংস করে দেয়। এলজি জানায়, মাস্কের প্রতিটি অংশই পরিবর্তন আর পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব। এতে রয়েছে ৮২০ মিলি অ্যাম্পেয়ার আওয়ার ব্যাটারি। পাওয়ার কমিয়ে ব্যবহার করলে এটি টানা ৮ ঘণ্টা ব্যবহার করা যায়, আর পাওয়ার বাড়িয়ে করলে এটি ২ ঘণ্টা ব্যবহার করা যায়।

এলজি জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলের হাসপাতালে অন্তত ২ হাজার মাস্ক বিতরণ করবে প্রতিষ্ঠানটি। ডাক্তার আর নার্সদের দীর্ঘসময় ধরে মাস্ক পড়ে থাকতে হয় বলে এই এয়ার পিউরিফায়ার মাস্ক দেবে এলজি।

প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য, বাড়িতে বানানো আর ব্যবহার করে ফেলে দেয়া যায় এমন মাস্কের ব্যবহার বন্ধ করে বায়ু বিশুদ্ধকারী এ মাস্ক ব্যবহারে সবাইকে উৎসাহিত করা। তবে কবে এ মাস্ক বাজারে ছাড়া হবে, দাম কতো হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি এলজি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *