দীর্ঘ ৫ মাস পর সৈকতসহ কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্র খুলে দেয়ায় ভিড় করতে শুরু করেছে পর্যটকরা। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে সৈকতের প্রতিটি পয়েন্টে মাতোয়ারা দূর-দূরান্ত থেকে আগত ভ্রমনপিপাসুরা। দীর্ঘসময় পর ঘরবন্দি জীবন থেকে বেরিয়ে মুক্ত আকাশ ও বিশাল সমুদ্র দেখে নতুন প্রাণ পেয়েছে বলে মনে করছেন পর্যটকরা। আর সাগর উত্তাল থাকায় পর্যটকদের সমুদ্র স্নানে সার্বক্ষনিক দায়িত্বপালন করছে অর্ধ-শতাধিক লাইফ গার্ড কর্মী।

বৈরী আবহাওয়া, সাগর উত্তাল। তারপরও যেন বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের পানিতে মেতে উঠেছে পর্যটকরা। শুধু সৈকতের পানিতে নয়; বালিয়াড়ি কিংবা পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আনন্দ আর উল্লাসে মাতোয়ারা ভ্রমনপিপাসুরা। করোনা পরিস্থিতির দীর্ঘ ৫ মাস পর সীমিত আকারে সৈকতসহ হোটেল মোটেল, রেস্তোরা ও বার্মিজ দোকান খুলে দেয়ার পর ভিড় করছে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকরা। তারা বলছেন; করোনার কারণে ঘরবন্দি জীবন থেকে মুক্তি পেয়ে প্রথমেই কক্সবাজার ছুটে আসা।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগর উত্তাল রয়েছে। তাই পর্যটকদের সমুদ্র স্নানে সার্বক্ষনিক লাইফ গার্ড কর্মীরা দায়িত্ব পালন করছে বলে জানালেন সী-সেইভ লাইফ গার্ডের ম্যানেজার ইমতিয়াজ আহমেদ।

আর হোটেল মালিক সমিতির নেতারা জানালেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সৈকতসহ সবকিছু খুলে দেয়ায় পর্যটকের আগমনসহ বুকিং বাড়ছে।

করোনার কারণে চলতি বছরের ১৮ মার্চ সৈকতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন। একই সঙ্গে বন্ধ করে দেয়া সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল মোটেল, ৫ শতাধিক রেস্তোরা, সহস্রাধিক বার্মিজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *