মহামারি করোনা থেকে দূরে থাকার সুযোগ আসলে কমে গেছে। আর আমরা বাঙালিরা তো মোটামুটি ভুলেই বসেছি করোনা নামের মহামারির কথা।
রাস্তায় বের হলে সাধারণ সময়ের মতোই ভিড় থাকে সঙ্গে যানজট।

মহামারি থেকে নিরাপদে থাকতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আক্রান্ত হলে শনাক্ত করে চিকিৎসা নেওয়া। আর এটি জানতে অনেককেই করোনা টেস্ট করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই কোভিড টেস্ট করতে হবে জানলেই অনেকেরই শুরু হয় আতঙ্ক। যেন টেস্ট করা মানেই তার করোনা হয়েছে। অথচ আমরা ভুলে যাই প্রতিদিন যে পরিমাণ টেস্ট করানো হয় তার চারভাগের এক ভাগেরও কম কনোরা সংক্রমণে আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়।

আতঙ্কের আরও একটি কারণ টেস্ট করানোর সময় ব্যথা লাগে কিনা, আবার অনেকেই থাকে সিরিয়ালে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আক্রান্ত থাকতে পারেন, তাদের কাজ থেকে সংক্রমণের ঝুঁকির কথাও ভাবনায় আসে অনেকের।

আরও আছে সামাজিক ও মানসিক চাপ। যদিও সামাজিক চাপ আগের চেয়ে কমে এসেছে করোনার বিষয়ে, তবে মানসিক চাপটা কিন্তু রয়েই গেছে কিছুটা। করোনার টেস্ট করাচ্ছেন, মানে অনেকেই ধরেই নিচ্ছে আপনার করোনা হয়েছে। আর এ কারণে কেউ কেউ এড়িয়েও চলতে পারে। করোনায় আক্রান্ত হলে কী সমস্যা হতে পারে বা আইসোলেশনে গেলে একা থাকার কষ্ট, এসব কিছু মিলে একটা মানসিক চাপ তৈরি হতেই পারে।

তবে জেনে নিন, করোনা টেস্ট করতে কোনো ব্যথাই লাগে না। সামান্য দু’এক সেকেন্ডের অস্বস্তি হতে পারে, এর বেশি না। আর যিনি নমুনা সংগ্রহ করেন, তিনি তো পিপিই পরাই থাকেন। প্রত্যেকের নমুনা নেওয়ার পরে হাত জীবাণুমুক্ত করে নেন। এজন্য ওখানে সংক্রমণের ভয়ও অমূলক।

সুস্থ থাকতে, নিজের ও পরিবার, প্রিয়জনদের নিরাপদে রাখতে যেকোনো ধরনের করোনার উপসর্গ দেখা দিলে টেস্ট করিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।
নিয়মমতো সরকারি অনুমোদন রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানে টেস্ট করাতে হবে। সিরিয়াল পাওয়ার জন্য ওয়েব সাইটে পূরণ করে নিতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *