সারাদেশে অঘোষিত লকডাউন উঠে গেলেও এখনও পর্যটন শিল্পে রয়ে গেছে নিষেধাজ্ঞা। বিধি-নিষেধের বেড়াজালে আটকে আছে পযটন নগরী কক্সবাজারের চার শতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট।

এই অবস্থায় স্থবির হয়ে পড়া এ শিল্পকে পুনরায় চাঙা করে তুলতে সীমিত আকারে হলেও খুলে দেয়ার দাবি পর্যটন সংশ্লিষ্টদের।

তবে করোনা সংক্রমণ বাড়ায় কক্সবাজারে পর্যটকের আগমন প্রশ্নেই আসে না বলে সাফ জানিয়েছে জেলা প্রশাসক।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। সমুদ্রের ঢেউ, সূর্যাস্ত ও প্রকৃতির টানে ছুটে আসেন হাজার হাজার মানুষ। তাদের আতিথেয়তার জন্য এখানে রয়েছে সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল মোটেল ও রিসোর্ট।

করোনা পরিস্থিতির কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে সব কিছুই। এমনকি সৈকতে প্রবেশ করতেও দেয়া হয় না কাউকে।

এদিকে স্থবির হয়ে পড়া এ শিল্পকে বাঁচাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে খুলে দেয়ার দাবি পর্যটন ব্যবসায়ীদের।

তারা বলছেন, এক লাখের বেশি শ্রমিক বেকার। সীমিত আকারে খুলে দিলেও কিছুটা রক্ষা হবে। এজন্য কোনো নীতিমালাও হতে পারে।

সরকারি কোনো নির্দেশনা না আসায় করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সৈকতে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না বলে জানায় ট্যুরিস্ট পুলিশ।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের উপ-পরিদর্শক রুবেল মিয়া বলেন, পর্যটক যদি কেউ আসে তাহলে তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনা আসলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আর জেলা প্রশাসক জানালেন, করোনা সংক্রমণ বাড়ায় আপাতত কক্সবাজারে পর্যটক আগমন বন্ধ থাকবে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, যেহেতু আন্তঃজেলা চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের কথা বলা আছে। সুতারাং এ সময় পর্যটন নগরীতে মানুষের আসার প্রশ্ন আসে না।

শুধু হোটেল, মোটেল নয় পর্যটন শিল্পকে কেন্দ্র করে এখানে গড়ে উঠেছে ৫ শতাধিক রেস্তোরা, সহস্রাধিক বার্মিজ দোকান। আর এর সাথে জড়িত লক্ষাধিক শ্রমিক ও কর্মচারী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *