সময়টা ২০১৪ সাল। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলা চলাকালীন ম্যাচে ক্লোজ ম্যাচে আউট হবার পর ড্রেসিংরুমে অযাচিত অঙ্গভঙ্গির কারণে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা এবং তিন লাখ টাকা জরিমানার শিকার হতে হয় সাকিব আল হাসানকে।

ঘটনাটি ঘটেছিল যখন টিভি মন্তব্যকারীরা ম্যাচের সময় সাকিবের আউটের বর্ণনা দিতে শুরু করে এবং ক্যামেরাটি বাংলাদেশ দলের ড্রেসিংরুমের দিকে ঘুরায়। বেশ কয়েক সেকেন্ড পরে, যখন তাঁর আউটের রিপ্লে প্রচারিত হয়েছিল, সাকিব তার ক্রাচটির দিকে এবং তারপরে ক্যামেরার দিকে ইঙ্গিত করলেন এবং জায়ান্ট স্ক্রিনের পর্দায় ফুটেজটি প্রদর্শিত হয়েছিল।

ঘটনার ছয় বছর পর ২০২০ সালে এসে ক্রিকেট প্রেমীরা জানতে পারলেন আসলে সেদিন কি ঘটেছিল। সাকিবের পাশে বসে থাকা শফিউল বলেছেন বিষয়টি নিছকই মজার ছলে অজান্তেই ঘটে গিয়েছিল। সাকিবের এই বিষয়ে কোনো দোষই ছিল না। সম্প্রতি ক্রিকফ্রেঞ্জিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।

শফিউল বলেন, ‘আসলে ওই ম্যাচটা খুব ক্লোজ ছিলো আমাদের জন্য। ওইসময় সাকিব ভাই ক্রুশিয়াল মোমেন্টে আউট হয়ে খুব উত্তেজিত ছিলো। ফ্রেশরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে টাওয়েল পড়েই চলে আসছিল ড্রেসিংরুমে। আসলে উনিও বুঝে নাই। ক্যামেরাটা যখন ধরছে তখন উনি বলেছিলেন ক্যামেরা সড়াতে। তখন মনের অজান্তেই ওইরকম করে বসেছিলেন হয়তো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসলে ড্রেসিংরুমে তো অনেক কথাই হয়। কথা বলতে বলতে আমি হাসছিলাম। ওইসময় ফানি কথা হচ্ছিলো। আমিও হেসে দিয়েছিলাম। তো পরে আমাকেও ডাকা হয়েছিল জিজ্ঞেস করেছিল ওখানে কি হয়েছিল। আমি তখন বলেছি আসলে অনেক ধরণের কথা তো হয় আর সাকিব ভাই ওইরকম কিছু বলেনি। যখন সাকিব ভাই আউট হয়ে আসছে তখন তাঁর মনটা হয়তো খারাপ ছিলো। আউট হয়ে এসেছি, ড্রেসিংরুম পর্যন্ত ক্যামেরা ধরার কি দরকার? নিজের অজান্তেই এতো কিছু হয়ে যাবে আসলে কেউ সেটা ভাবে নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *