আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগ এবং গণপরিবহণ বন্ধ ঘোষণা করা হলেও মানুষের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে দেশজুড়ে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এজন্য আঞ্চলিকভাবে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বাস ও ট্রেন চলাচলসহ সকল গণপরিবহণ বন্ধ ঘোষণা করা হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না মানুষের অবাধ চলাচল।

বিশ্ব যখন করোনা আতঙ্কে ভুগছে তখনও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় মানুষের মধ্যে নেই এ নিয়ে কোনও রকম সচেতনতা। পেটের দায়ে নিম্ন আয়ের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে বের হচ্ছেন কাজে। তবে, গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিরাপদ রাখতে মালিকপক্ষ নিয়েছে নানা পদক্ষেপ।

প্রয়োজন ছাড়া লোকজনকে ঘর থেকে বের না হতে বার বার বলা হলেও দিনাজপুরে এখনও অনেকেই মানছে না প্রশাসনের নির্দেশনা। দেশজুড়ে করোনা প্রতিরোধে নানা প্রচার-প্রচারণা চললেও সচেতনতার বার্তা পৌঁছেনি শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী ও শ্রীবরদী উপজেলায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে।

স্থানীয় আদিবাসীরা জানান, তারা এ ভাইরাসের ব্যাপারে কিছুই জানেন না। আর যারা জানেন তারাও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। তবে, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষকে সচেতন করার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

শেরপুরের সিভিল সার্জন একেএম আনোয়ারুর রউফ বলেন, ‘জনসচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও নানা উপায়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর কাজ করা হচ্ছে। এরপরেও যদি কোনও জায়গা বাদ পড়ে যায় তাহলে সেখানেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শেরপুরের জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব বলেন, ‘শেরপুর জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী অধ্যুষিত জায়গাগুলোতে নজরদারি করছে।’ আর তাদের সচেতনতা বাড়াতে জেলা প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান জেলা প্রশাসক।

এদিকে, বরগুনার হাসপাতালগুলোতে রয়েছে সুরক্ষা সরঞ্জামের অভাব। ঝুঁকি নিয়েই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর জরুরি বিভাগে চলছে করোনার উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের চিকিৎসাসেবা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *