আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, জিয়াউর রহমানের ছেলে তারেক রহমান লন্ডনে বসে হুকুম দেয় দেশ পরিচালনা করবে। তার সাহস নাই বাংলাদেশে আসার। তারেক ব্যাপক দুর্নীতি, অন্যায় ও মানুষ খুন করেছে। সে জানে কখনও জেল থেকে বের হতে পারবে না। তাই বাংলাদেশে আসে না। তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়া তারেকের মা। সেও এতিমের টাকা চুরি করে বর্তমানে জেলে আছে। কোন রাজনৈতিক কারণে খালেদা জিয়া জেলে যায়নি। জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে জেলে পাঠায়নি। জেলে পাঠিয়ে আদালত। আর সেই আদালত খালেদা জিয়াকে জামিন দেয় না। এখানে সরকারের কি করার রয়েছে। বিএনপি এখন বলছে বিশেষ আবেদন করবে। তাদের বিশেষ আবেদনের ক্ষেত্রে সরকার কোন ভূমিকা রাখতে পারবে না। সরকারের একটি অঙ্গ হলো বিচার বিভাগ। তারা যে সিদ্ধান্ত দিবে, তা সরকার মাথা পেতে নিবে।

শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের গোপালপুর সূতী ভি এম পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি বারবার বলছে ঢাকা সিটি নির্বাচন সফল হবে না। তারা কারচুপির কথা প্রচার করছে। ইভিএম হচ্ছে সবচেয়ে আধুনিক, সর্বশেষ প্রযুক্তি। সেই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে এই নির্বাচনে। বর্তমান সরকারের সততা নিয়ে তারা প্রশ্ন করছে। ঢাকা দুই সিটির নির্বাচন ইভিএমএর মাধ্যমে সুষ্ঠ ও সুন্দর হবে। তারা চায় আমরা বলে দেই বিএনপি জয়লাভ করবে। এটা আমরা করতে পারবো না। জনগন ও ভোটাররাই সকল ক্ষমতার মালিক। সেই ঢাকার সচেতন ভোটাররাই ঠিক করবে আগামীতে তাদের মেয়র কে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ.টি ইমাম।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়োহের এমপি, স্থানীয় এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, শতবর্ষ উদযাপন কমিটির আহবায়ক এ্যাডভোকেট আব্দুল গফুর প্রমুখ।

এর আগে বিদ্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে বেলুন ও পায়না উড়িয়ে উদ্বোধন করা হয়। আলোচনা সভা শেষে পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঐতিহ্যে-সাফল্যে শত বছরের অঙ্গিকার নিয়ে বিদ্যালয়ের সাবেক এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় পরিনত হয় পুরো ক্যাম্পাস। নানা বয়সী শিক্ষার্থীরা নাচ, গান এবং আড্ডায় মেতে উঠেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *