নাগপুরে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগেই ভারতের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে অংশ নিতে দলের সাথে যুক্ত হয়েছেন আট টেস্ট পারফরমার অধিনায়ক মুমিনুল হক, ইমরুল কায়েস, সাইফ হাসান, মেহেদি হাসান মিরাজ, আবু জায়েদ রাহি এবং ইবাদত হোসেন।

তারা ৮ নভেম্বর রাতেই নাগপুর পৌঁছে ৯ নভেম্বর থেকে নিয়মিত অনুশীলনও করছেন। অন্যদিকে ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে দেশে ফেরত এসেছেন ৭ টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট- সৌম্য সরকার, নাইম শেখ, আরাফাত সানি, শফিউল ইসলাম, আফিফ হোসেন ধ্রুব, আবু হায়দার রনি ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।

তাদের সাথে গতকাল সোমবার রাতে নাগপুর থেকে দেশে ফেরত এসেছেন টেস্ট দলে থাকা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও। আগেই জানা, তার মা অসুস্থ। তাই মায়ের চিকিৎসার জন্য টেস্ট না খেলেই দেশে ফিরে এসেছেন মোসাদ্দেক।

ভক্ত, সমর্থক ও অনুরাগিরা উদগ্রীব। তাদের কৌতুহলি জিজ্ঞাসা, কি হয়েছে মোসাদ্দেকের মা’র? আজ দুপুরে জাগো নিউজের সাথে আলাপে মোসাদ্দেক নিজেই তা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আম্মার লিভারে পাথর ধরা পড়েছে।’

সোমবার রাতে রাজধানীতে ফেরা মোসাদ্দেক এখনো ঢাকাতেই অবস্থান করছেন। কাল তার মা’কে ঢাকায় নিয়ে আসা হবে। তারপর ঢাকাতেই চিকিৎসা চলবে। মোসাদ্দেকই তার সবকিছু তত্ত্বাবধান করবেন।

বর্তমান অবস্থায় তার পক্ষে আর ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলা কোনভাবেই সম্ভব না। ইন্দোরে প্রথম টেস্ট শুরু আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা পর, আগামী ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে। এরকম অবস্থায় মোসাদ্দেক কি করবেন? কলকাতায় পরের টেস্টে কি দলের সাথে যোগ দেবেন আবার?

এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তেমন কিছু বলতে পারেননি জাতীয় দলের এ অলরাউন্ডার। তার কথা, আম্মার চিকিৎসাটাই আগে। আম্মার চিকিৎসা আগে হোক। আমি এখনো বুঝতেছি না কি হবে, কি করবো? আম্মা পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত আমি কোনদিকে ম্যুভ করছি না। পরেরটা পরে বোঝা যাবে।’

কথা-বার্তায় পরিষ্কার করে দিয়েছেন মোসাদ্দেক যে, তার মা পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তার আর দলের সাথে ভারতে যোগ দেয়ার কোনই সম্ভাবনা নেই।

ওদিকে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুও জাগো নিউজকে জানিয়ে রেখেছেন, ‘দলে তো এমনিই ১৬ ক্রিকেটার আছে। মোসাদ্দেক চলে যাবার পরও ১৫ জন আছে। কাজেই অসুবিধা হবে না। আর ইন্দোরের পর কলকাতায় যদি প্রয়োজন পড়ে, তাহলে শেষ মুহুর্তে কাউকে ডেকে নেয়া যাবে।

তার মানে ধরে নেয়া যায়, মোসাদ্দেক ভারতের সাথে দুই টেস্টই মিস করতে যাচ্ছেন।

Comments are closed.