ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে দেশে ফিরেই আবার ব্যস্ত হয়ে ফিরবেন সময়ের তিন আলোচিত তরুণ ক্রিকেটার নাইম শেখ, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ও আফিফ হোসেন ধ্রুব।

গতকাল সোমবার রাতে নাগপুর থেকে রাজধানীতে পৌঁছেছেন তিন তরুণ। কাল বুধবার সকাল থেকেই আবার শেরে বাংলায় অনুশীলনে নেমে পড়বেন তারা। জাতীয় দল ভারতে টেস্ট সিরিজে মাঠে নামার অপেক্ষায়। আর দেশে চলছে জাতীয় লিগ। ভাবছেন, নাইম শেখ, আমিনুল বিপ্লব আর আফিফরা বুঝি জাতীয় লিগ খেলতে নামবেন।

নাহ! আগামী ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে বাংলাদেরশে বসছে এশিয়ান ইমার্জিং ক্রিকেটের আসর। চার টেস্ট খেলুড়ে দেশ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ এশিয়ার ৮ দেশ অংশ নেবে এ আসরে। মূলতঃ অনূর্ধ-২৩ আসর। যদিও ২৩ বছরের বেশি আরও ৪ ক্রিকেটার দলে নেয়া যাবে। তবে এক ম্যাচে তিন জনের বেশি খেলানো যাবে না।

বলার অপেক্ষা রাখে না নাইম শেখ, আমিনুল বিপ্লব ও আফিফ হোসেন ধ্রুব আছেন বাংলাদেশ ইমার্জিং দলে। বাঁ-হাতি টপ অর্ডার নাজমুল হোসেন শান্ত বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক। গত ১০ নভেম্বর থেকে শেরে বাংলায় চলছে স্বাগতিক বাংলাদেশ দলের অনুশীলন।

লঙ্কান কোচ চম্পকা রামানায়েকের অধীনেই চলছে অনুশীলন। আগামীকাল বুধবার থেকে প্র্যাকটিসে যোগ দেবেন নাইম শেখ, আমিনুল বিপ্লব ও আফিফ। জাতীয় দলের নির্বাচক ও ইমার্জিং কাপে স্বাগতিক বাংলাদেশ স্কোয়াডের একমাত্র নির্বাচক (প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ভারতে জাতীয় দলে সাথে আছেন) হাবিবুল বাশার আজ সকালে জাগো নিউজের সাথে আলাপে এ তথ্য জানানোর পাশাপাশি এশিয়ান ইমার্জিং কাপে বাংলাদেশের শক্তি-সামর্থ্য ও সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেছেন।

হাবিবুল বাশার বলেন, মূলতঃ এশিয়ার ক্রিকেট শক্তিগুলোর পাইপলাইন সমৃদ্ধ করতেই এ উদ্যোগ। অতীতের স্মৃতি টেনে বাশার বলেন, ‘আগের দুইবার পাকিস্তানের মত শক্তিকে হারানোর পরও এশিয়ান ইমার্জিং কাপে আমরা ফাইনাল খেলতে পারিনি। প্রথমবার ভারতের কাছে হেরে পরেরবার অর্থ্যাৎ সর্বশেষ আসরে শ্রীলঙ্কার কাছে সেমিতে হেরে বিদ্য়া নিতে হয়েছে। তবে এবার আমরা আশাবাদী। মনে হয় আগের চেয়ে এবারের দল অনেক সুগঠিত। বেশ কিছু তরুণ প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটার আছে। তারা নিবিড় অনুশীলনেও আছে। কাজেই এই দল নিয়ে আশা করাই যায়।’

প্রসঙ্গতঃ এশিয়ার পাঁচ টেস্ট খেলুড়ে দেশ বাংলাদেশ, ভাত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ছাড়াও ওমান, হংকং আর আরব আমিরাত অংশ নেবে এবারের আসরে।

দুই গ্রুপে খেলা হবে প্রথমে। বাংলাদেশ প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছে ‘খ’ গ্রুপে, ভারত, হংকং ও আরব আমিরাতের বিপক্ষে। অন্যদিকে ‘ক’ গ্রুপে রয়েছে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান এবং ওমান।

‘খ’ গ্রুপের খেলাগুলো হবে বিকেএসপির ৩ ও ৪ নম্বর মাঠে। অর্থ্যাৎ স্বাগতিক বাংলাদেশ তিনটি ম্যাচই (১৪ নভেম্বর হংকংয়ের সাথে, ১৬ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে আর ১৮ নভেম্বর আরব আমিরাতের সঙ্গে) খেলবে বিকেএসপিতে। অন্যদিকে ‘ক’ গ্রুপের সব ম্যাচ কক্সবাজারে। আগামী ২৩ নভেম্বর মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে হবে ফাইনাল।

Comments are closed.