সম্পাদকের কথা

268

পর্যটকদের নিরাপত্তা বেষ্টনী ও যানজট নিরশন
অপরাধী নেই এমন দেশ ও বোধ হয় নেই। পৃথিবীর যে সব দেশ এমন টা দাবী করে, সে সব দেশে নিশ্চয়ই ফেরেস্তা বসবাস করে না। দোষে গুনে মানুষ,মানুষ মাত্রেই কমবেশী অপরাধবোধ লালন করে। কক্সবাজার থেকে এক সময় ডাকাতের ভয়ে সন্ধ্যার পর গাড়ী ছাড়তনা,সেদিন বেশী আগের কথা না। কিন্ত এখন সারারাত হাইওয়ে গাড়ী চলে,এমন সময়ের কথা আমরা কল্পনা করতাম,অথচ এখন তা বাস্তবে দেখতে পাচ্ছি। এক সময় সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে সাগর পাড় থেকে সরে পড়ত সবাই। কিন্ত এখন সারা রাত ঘুরলেও কোন টেনশন নেই। টুকি টাকি কিছু দুর্ঘটনা,অপরাধ যা ঘটে তা অনাকাংখীত। কক্সবাজারে এমন সুন্দর পরিবেশ তৈরির পিছনে কয়েকজন পুলিশ সুপার ও পুলিশ কর্মকর্তাদের অবদান খুব বেশি। যাদের কে কক্সবাজার বাসি স্বরণ করে ও করবে। বর্তমানে পুলিশ ডির্পাটমেন্ট কে অনেক ভাবে সাজানো হয়েছে সুতরাং নিরাপত্তা বেষ্টনী দিন দিন জোরদার হচ্ছে। সরকারের বীচ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ভ্রমন তালিকায় বিশ্বদরবারে এক ডিজিটের নাম্বারে চলে আসবে তাতে সন্দেহ নেই। সে সময় টা দেখে যেতে পারবতো ? শহরে প্রবেশে বিকল্প সড়ক অত্যান্ত জরুরী। যানজট পর্যটকদের নিরাশ করছে। কিছু সংযোক সড়ক খুবই জরুরী বলে মনে করেন অনেকেই।যেমন- সদরের খাদ্য গুদামের পাশ দিয়ে কলাতলী রোড,উত্তরণের মধ্য দিয়ে খুরুস্কুল ব্রীজ কানেক্টিং সড়ক ,রাবার ড্যাম রাস্তা দিয়ে খুরুস্কুল ব্রীজ হয়ে ফিশারীঘাট সড়ক সম্প্রসারণ, চাইন্দা ফরেষ্ট অফিস রোড দিয়ে হিমছড়ি কানেক্টিং রোড ,সরকারী কলেজের পাশের রোড কে কলাতলী পর্যন্ত বর্ধিত করণ ,কলাতলী বড়ছড়া হতে বীচের পাশ দিয়ে সী ইন হয়ে ডায়বেটিস রোড পযর্ন্ত সড়ক সম্প্রসারণ করলে যানজট তো থাকবেইনা বরং নান্দনিক শহরে পরিনত হবে কক্সবাজার।