সম্পাদকের কথা “মগের মূল্লুক”

187

শিশুকাল থেকেই বুড়াবুড়ির মুখে শুনে আসছি ‘‘মগের মূল্লুক’’ কথাটা। কিশোরে এসে শিখেছি এক কথায় প্রকাশ কর ‘‘মগের মূল্লুক’’ উত্তর ছিল জোর জার মূল্লূক তার !!
যৌবনে এসে মগের সাতে মিশে এ শব্দটার কিছু অল্প স্বল্প বাস্তবায়ন দেখেছি।
আর এখন মধ্যে বয়সের শেষে এসে দেখছি এ শব্দের নির্মম প্রয়োগ। মুসলমান আর খৃষ্টানদের অনেক মূল্লুক আছে, দাংগা হাংগামা অনেক সময় হয় কিন্তু মগের মূল্লুকের মত খুন করে অথবা জীবিত মানুষের গোস্ত টুকরা টুকরা করে পশু পাখিদের খাওয়ানো মত এমন বর্বর জাতি আফ্রিকার জংগলে ও আছে কিনা সন্দেহ। জঙ্গলের হিং¯্র জন্তুদের ও একটু মায়া দয়া আছে।
এই তো সেদিন ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে দেখলাম, একটা বাঘ একটা বানর কে হত্যা করে। পরে বানরের বাচ্ছা দেখে বাঘ বেচারা ভীষণ মর্মাহত হয়ে পড়ে। বানরের বাচ্চাটাকে নিজের বুকের দুধ খাওয়ায়। কিন্তু মগের মূল্লুকের মগের মাঝে সেরকম ও কোন বোধদয় এ পর্যন্ত দেখিনি।
এ কেমন জাতি!! এদের কে কি- মানুষ বলা যায় ? নাকি মানুষের আকৃতিতে এরা আফ্রিকার পশুর মত কোন প্রাণী ?
বিবেকবান জাতি হিসেবে দুনিয়ার মানুষেরা কি , এ পশু গুলোকে একটু শিক্ষা দিতে পারে না? একটু আদব কায়দা কি শিক্ষা দেয়া যায় না ? যারা এ পশুগুলোর সাথে মিশে,সমর্থন দেয়, মারনা¯্র তুলে দেয়, তাদের লাজ লজ্জা বলতে কি কোন কিছু নাই?
এদের কে গৃহ পালিত পশুর মতো খাচায় বন্দি করতে হবে। আর বলতে হবে এ ভূপৃষ্ঠের নাম মঙ্গল গ্রহ নয়, নয় পেচুন, প্লুটো। এটা পৃথিবী এখানে বসবাস করতে হলে বিবেক আর হ্রদয়ে ভালবাসা থাকতে হবে। নইলে তোমাদের জন্য খাচা তৈরি করব আমরা শান্তিকামী পৃথিবীবাসি ।